দেশে বরই চাষের বিপ্লবের ঘটনা মোটামুটি অনেক পুরনো। বাউকুল, আপেল কুল, কাশ্মিরি কুল, বল সুন্দরি কুলের মতো বড়সড় বিপ্লব ঘটাতে চলেছে নতুন বিচিবিহীন এই কুল/বরই। সম্প্রতি মাগুরায় চাষ করা হয়েছে নতুন জাতের এই বরই। এটি আকারে বেশ বড় এবং দেখতে অনেকটা আপেলের মতো। তাই ভোক্তার কাছে এই জাতের বরই বেশ জনপ্রিয়।
টক-মিষ্টি স্বাদের বিচিবিহীন এই বরই চাষ করে ও কলম চারা বিক্রি করে লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করছেন চাষি ও উদ্যোক্তা নাছির আহমেদ। নাছির আহমেদের শুরুটা হয়েছে ৪ একর জমিতে ভারত থেকে আনা ২ হাজার বিচিবিহীন বরই এর চারা দিয়ে। চলতি বছর এপ্রিল মাসে লাগানো গাছে সেপ্টেম্বর মাসেই আসতে শুরু করেছে ফুল। বাগানটিতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৪ লাখ টাকা। আর এ বছর প্রায় ২০ লাখ টাকার বরই বিক্রির আশা করছেন তিনি।
আগামি ২ মাসের মধ্যে বিচিবিহীন বরই বিক্রি করা যাবে বলে ধারণা মাগুরার এই কৃষকের। এরই মাঝে তার বাগানে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকেরই। স্থানীয় অনেকেই তার দেখাদেখি এই বরই চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক বলেন, এখানের মাটি উপযোগী হওয়ায় নতুন জাতের এই কুল চাষ ও চারা উৎপাদন কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনা হবে বলে আমরা আশাবাদী।
আনন্দবাজার/এহসান








