চলতি মৌসুমে গাইবান্ধা জেলার ৭ উপজেলায় আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। নতুন ফসল ঘরে তোলার সঙ্গে সঙ্গে নবান্ন উৎসবে মেতে উঠেছেন তারা। ইতোমধ্যে ধান কাটা, মাড়াই শুরু হয়েছে। তবে শ্রমিক সংকটে হতাশাগ্রস্ত উচ্চ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির কৃষকরা। অনেকে কৃষক পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
তবে কৃষি বিভাগ বলছে, ধান কাটা ও মাড়াইয়ে দিনমজুর সংকটের তেমন একটা প্রভাব প্রভাব পড়ছে না। বর্তমান বাজারে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৯‘শ থেকে ১ হাজার টাকায়।
উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক তারা মিয়া জানান, আমন চাষাবাদের শুরুতেই বৈরি আবহাওয়ার কারণে ভালো ফলন নিয়ে শঙ্কায় ছিলাম। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি ৫ বিঘা জমিতে আমন চাষাবাদ করেছি। তার দাবি প্রতিবিঘা জমিতে ১৫ হতে ১৬ মন ধান পাওয়া যাচ্ছে। বিঘাপ্রতি খরচ হয়েছে ৬ হতে ৭ হাজার টাকা। তবে ধান কাটা শ্রমিক সংকটে হতাশার কথা জানান তিনি।
উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় আমন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। পাশাপাশি ফলনও ভালো হয়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলে আমনের ফলন হয়েছে আশানুরুপ। দিন যতই যাচ্ছে, ততই উন্নত জাতের ধানের চাষাবাদ হচ্ছে। সে কারনে কৃষকরা ভালো ফলন পাচ্ছে।
তিনি আরোও বলেন, আমন ধান কাটা, মাড়াইয়ে দিনমজুরের তেমন প্রভাব পড়ে না। কারণ এসময় বৃষ্টি বাদলের সম্ভাবনা থাকে না। উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮ হাজার ১০০ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে চাষ হয়েছে ২৮ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে। বিঘাপ্রতি ৪.৫০ টন ফলন হয়েছে।
আনন্দবাজার/এম.আর






