ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত--
- কমবে শেয়ার বিক্রির চাপ
পুঁজিবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য গঠিত সহায়তা তহবিলের আকার বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে। এই তহবিলের অবশিষ্ট আদায় করা অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনঃতহবিলে দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
গত সোমবার এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দেওয়া হয়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়টি চিঠি দিয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) অবহিত করে।
টানা নিম্নমুখীতে পুঁজিবাজারের শেয়ার বিক্রির চাপ বহুগুণে বেড়েছে। পতনে শেয়ার ক্রয় চাপ নেই বললেই চলে। ফলে বিক্রির চাপ বেড়ে পতন বৃত্ত আরো প্রশস্থ হচ্ছে। নতুন এ সিদ্ধান্তে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের এখন এ অর্থ ব্যবহার করে শেয়ার ক্রয় করবে। অন্যদিক শেয়ার বিক্রির চাপ কমবে বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।
ওই চিঠিতে বলা হয়, ইতোপূর্বে ৯০০ কোটি টাকা দিয়ে সৃষ্ট পুঁজিবাজারে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সহায়তা তহবিলের আদায়কৃত ১৫৩ কোটি টাকা বিদ্যমান ৮৫৬ কোটি টাকার তহবিলের সঙ্গে যুক্ত করে অবর্তনশীল ভিত্তিতে পুনঃবিনিয়োগযোগ্য তহবিলের মেয়াদ ২০২৭ সাল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হলো।
সর্বশেষ বিনিয়োগকৃত ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ অবর্তনশীল ভিত্তিতে পুনঃবিনিয়োগযোগ্য তহবিলের পরিমাণ হবে ১ হাজার ৯ কোটি টাকা। এতে চলতি বছরের মধ্যে তহবিলের অর্থ ফেরত দিতে বিনিয়োগকারীরা আরও সময় পেল।








