বিভিন্ন সমস্যায় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সংকটের মুখে পড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আজিজ পাইপস। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আজিজ পাইপসের ২০২০-২১ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষায় নিরীক্ষক জানায়, আজিজ পাইপস ধারাবাহিকভাবে ইক্যুইটি বা নিট সম্পদ ঋণাত্মক। এছাড়া সামর্থ্যের অভাবে ঋণ ও সুদ প্রদান রেশিও কম। যে কোম্পানিটির নগদ অর্থ ও কাচাঁমালের অভাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে উৎপাদন সক্ষমতার মাত্র ১১ দশমিক ২১ শতাংশ ব্যবহার করতে পেরেছে।
আজিজ পাইপস কর্তৃপক্ষ ডিএসইকে সম্প্রতি জানায়, চলতি মূলধনের অভাব, ব্যাংক ঋণের জটিলতা, আর্থিক সংকট, কাচাঁমালের অভাব ও রিজার্ভের ঘাটতির কারনে ৮ নভেম্বর থেকে কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া নিরীক্ষক কোম্পানিটির ২০২০-২১ অর্থবছরের আর্থিক হিসাবেও অস্বচ্ছতা খুজেঁ পেয়েছে।
নিরীক্ষক জানায়, আজিজ পাইপসের ক্রয়ের সঙ্গে ভ্যাট রিটার্নের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। তারা ক্রয় হিসেবে ৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা দেখালেও ভ্যাট রিটার্নে ৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকা রয়েছে।
বিএসইসির নির্দেশনা অনুযায়ি তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তা/পরিচালকদের সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার ধারনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু আজিজ পাইপসের উদ্যোক্তা/পরিচালকদের এ ধারনের হার ২৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে আসা ‘বি ক্যাটাগরির’ আজিজ পাইপসের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। শেয়ার সংখ্যা ৫৩ লাখ ৪৭ হাজার ১২৫ শেয়ার। গত বুধবার কোম্পানিটির শেয়ার দর ৮৯ দশমিক ১০ টাকা। কোম্পানিটির রিজার্ভ নেগেটিভ ২৩ কোটি ৬২ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ২৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ মালিকানা রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ ও বাকি ৬৮ দশমিক ২১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
আনন্দবাজার/এজে







