সম্প্রতি লিবিয়ায় সন্ধান মিলেছে বেশ কিছু গণকবরের। এতে দেশটিতে যুদ্ধাপরাধ হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। যার ফলে এ নিয়ে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশন গঠন করেছে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন।
আল–জাজিরার বলা হয়েছে, সোমবার (২২ জুন) সংস্থাটি লিবিয়ার বিভিন্ন কারাগারে আটকদের নির্যাতন ও যৌন হয়রানির খবরে জাতিসংঘের প্রস্তাবে এসব ঘটনার নিন্দা জানানো হয়।
জাতিসংঘে লিবিয়ার রাষ্ট্রদূত তামিম বাইয়ু বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ায় লিবিয়ার উন্নত ভবিষ্যতের মাইলফলক হিসাবে চিহ্নিত হবে।
এই প্রস্তাবটি মার্চ মাসে আফ্রিকান কয়েকটি দেশ জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের সামনে এনেছিল কিন্তু করোনার কারণে জেনেভাভিত্তিক সংস্থাটি তিন মাসের জন্য তার মূল বার্ষিক অধিবেশন স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল।
আরব বসন্তের জেরে ২০১১ সালে দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই দেশটিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে।
আনন্দবাজার/শহক








