একদিনে প্রায় পাঁচ শতাংশ কমে আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। ক্রমাগত দাম কমা অভ্যাহত রয়েছে।
মার্কিন ডলারের দর সর্বোচ্চ পর্যায়ে যাওয়া এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কার জন্য তেলের দাম কমছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
রয়টার্সের তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্টের দাম ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বা ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৩১ ডলার কমে ৮৬ দশমিক ১৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত এক সপ্তাহে প্রায় ছয় শতাংশ কমলো ব্রেন্টের মূল্য।
গত এক সপ্তাহে ডব্লিউটিআইয়ের দাম কমেছে প্রায় সাত শতাংশ। ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) যুক্তরাষ্ট্রের তেলের বেঞ্চমার্ক এর দামও ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বা ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৭৫ ডলার কমে ৭৮ দশমিক ৭৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
ক্রমাহত চতুর্থ সপ্তাহ উভয় বেঞ্চমার্কের দাম অভ্যাহতভাবে দরপতন চলছে। গতবছরের পর থেকে এটিই প্রথম ঘটনা। যুক্তরাষ্ট্রের গ্যাসোলিন এবং ডিজেলের ভবিষ্যৎ মূল্যও কমেছে পাঁচ শতাংশের বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক লাফে সুদের হার ৭৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। তাল মিলিয়ে তাই সুদের হার বাড়িয়েছে বিশ্বের অন্যান্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোও। এর ফলে আবারও অর্থনৈতিক মন্দার ঝুঁকি মাথাচাড়া দিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মোয়া বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়ানোর ক্ষেত্রে আক্রমণাত্মক থাকতে প্রস্তুত। এটি অর্থনৈতিক কার্যকলাপ ও অপরিশোধিত তেলের স্বল্পমেয়াদী চাহিদার দৃষ্টিভঙ্গি উভয়কেই দুর্বল করবে।
২০০২ সালের পর থেকে বেশ কয়েকটি দেশের প্রধান মুদ্রার বিপরীতে সর্বোচ্চ দরে পৌঁছেছে মার্কিন ডলার। ডলারের দাম বাড়লে অন্যান্য মুদ্রা ব্যবহার করে ক্রেতাদের জন্য জ্বালানি কেনা ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে, ফলে চাহিদা কমে যায়।
আনন্দবাজার/কআ








