সম্প্রতি চলমান অর্থ বছরে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণ কমাতে এই খাতে কিছু কড়া নির্দেশ আরোপ কড়া হয়েছে। এবং পাশাপাশি এর অংশ হিসেবে কোন প্রতিষ্ঠানের প্রভিডেন্ট ফান্ড ছাড়া অন্য কোনো অর্থ সঞ্চয়পত্র খাতে বিনিয়োগ বন্ধ করা হয়েছে। সেই সাথে আলাদ করে দেওয়া হয়েছে শনাক্তকরণ নম্বরও (টিআইএন)।
কিন্তু এর পরও প্রতিষ্ঠানের টিআইএন ব্যবহার করে অন্য খাতের অর্থ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের অভিযোগ পাওয়া যাওয়ার কারণেই প্রতিষ্ঠানের টিআইএনের বিপরীতে সঞ্চয়পত্র বিক্রি না করার নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।
গত মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয় সরকারি ব্যবস্থাপনা উপসচিব আবুল বাশার মুহাম্মদ আমীর উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বেসরকারি ব্র্যাক ব্যাংকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতর ও বিভিন্ন ব্যাংকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : করোনায় একদিনেই রেকর্ড ২৪২ জনের মৃত্যু
চিঠিতে বলা হয়েছে, সঞ্চয়পত্র বিধিমালা অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ডের অর্থ পাঁচ বছর মেয়াদে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সুযোগ আছে। কিন্তু ভবিষ্য তহবিল ব্যতীত প্রতিষ্ঠানের অন্য কোনো তহবিল সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করা যাবে না। এ জন্য ‘জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ ভবিষ্য তহবিলের কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) দেওয়ার মাধ্যমে এ তহবিলের বৈধতার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে সঞ্চয়পত্রে অবৈধ বিনিয়োগ ঠেকাতে চলমান অর্থবছর থেকে কিছু কড়া নির্দেশ আরোপ করা হয়। যাতে কেউ বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা বা অবৈধ টাকা বিনিয়োগ করতে না পরে, সেজন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের পাশাপাশি টিআইএন নম্বর নেওয়ার নির্দেশ দেয়।
এছাড়া বিক্রি কমাতে নতুন বাজেটে মুনাফার ওপর কর বাড়ানো হয়েছে। এত দিন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে সরকার ৫ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখতো। আগামী ১ জুলাই থেকে ১০ শতাংশ করে কাটবে।
আনন্দবাজার/ এইচ এস কে








