প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস চীনের অর্থনীতিকে ফেলে দিয়েছে টালমাটাল অবস্থায়। কাজেই স্থবির হয়ে পড়েছে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সাথে শ্লথ হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। এ পরিস্থিতিতে ইন্দোনেশিয়া থেকে কমেছে চীনের বাজারে পাম অয়েল রফতানি। রয়টার্স সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
পাম অয়েলের শীর্ষ উৎপাদক ও রফতানিকারক দেশ ইন্দোনেশিয়া। অন্যদিকে চীন পণ্যটির শীর্ষ আমদানিকারক দেশের একটি। ইন্দোনেশিয়ার সরকারি তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইন্দোনেশিয়া থেকে চীনের বাজারে ৮৪ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি করা হয়েছে।
গত বছরের একই সময়ে ইন্দোনেশীয় রফতানিকারকরা চীনে সব মিলিয়ে ৩ লাখ ৭১ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি করা হয়েছিল। সে হিসাবে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ইন্দোনেশিয়া থেকে চীনে পণ্যটির রফতানি কমেছে ২ লাখ ৮৭ হাজার টন।
শুধু আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় নয়, বরং গত জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ইন্দোনেশিয়া থেকে চীনে পাম অয়েল রফতানি কমেছে প্রায় চার লাখ টন। গত জানুয়ারিতে চীনের বাজারে ইন্দোনেশিয়া থেকে ৪ লাখ ৮৩ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছিল।
ইন্দোনেশিয়ার সরকারি মুখপাত্র কাসদি সুবাগায়নো জানান, নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ চীনের সাথে পাম অয়েল বাণিজ্যে ধস নামিয়েছে। এটা আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এখন পর্যন্ত শুধু চীনের বাজারেই পণ্যটির রফতানি কমেছে। আগের চেয়ে অন্যান্য দেশ ইন্দোনেশিয়া থেকে পাম অয়েল আমদানি বাড়িয়েছে। বিশেষত ভারতীয় আমদানিকারকরা ইন্দোনেশিয়া থেকে পাম অয়েল কেনা বাড়িয়ে দিয়েছেন।
আনন্দবাজার/তাঅ








