বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে বন্ধ সব ধরণের পণ্য সরবরাহ। বন্ধ রয়েছে শিশু খাদ্য ও পণ্য সরবরাহও। এই সুযোগে অধিক মুনাফা গ্রহণ করছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশে কিছু কিছু উৎপাদন হলেও নবজাতক ও শিশু খাদ্যের প্রায় পুরোটাই আমদানি নির্ভর। আমদানিকারকরা জানান, এখন মজুদ নেই বললেই চলে।
ভোক্তাদের অভিযোগ, হাগিস ৫ পিসের ডায়াপার বিক্রি হতো ১৮০-৯০, আর ১৬ পিস ৫৭০ টাকায়। কিন্তু এখন পাওয়া যাচ্ছে না এ ডায়াপারগুলো। যেগুলা পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর দাম অন্তত ১০০-১৫০ টাকার বেশি। আরেকটি ডায়পার মমি পোকো প্যান্ট, যা ২৪ পিস বিক্রি হতো ৯০০ টাকা করে। তবে এখন কিনতে হচ্ছে হাজার টাকার ওপরে।
জানা যায়, ল্যাকটোজেন বিইবি ৩৫০ গ্রাম ৪৫০, পিডিয়াশিউর ২০০ গ্রাম ৪৩২, ৪০০ গ্রাম ৭৫৯, ল্যাকটোজেন রিকোভার ১৮০ গ্রাম ২৬৫, ল্যাকটোজেন ওয়ান টিনের কৌটা ৪০০ গ্রাম ৬১০-৬৩০ টাকা করে বিক্রি হতো। তবে এখন এসব দুধের দাম প্রত্যেকটিতে অন্তত ১০০ টাকা করে বেড়েছে।
দোকানিরা জানান, যাদের কাছে পন্য আছে তারাই বেশি দামে দিয়ে যাচ্ছে। তাই পন্যগুলোর দাম বাড়িয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে।
ফুডস্টাফ ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড সাপ্লায়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জেড এম গোলাম নবী বলেন, এই মুহূর্তে আমদানি করতে হবে বিমানযোগে। এজন্য প্রয়োজন অন্তত ১০০ কোটি টাকার তহবিল। আমরা সরকারের কাছে আবেদন করেছি দ্রুত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য।
আনন্দবাজার/ টি এস পি








