- লেনদেন ডিএসইতে ১১১৬ কোটি, সিএসইতে ২৭
- দর বেড়েছে ৪৩ ভাগ কোম্পানির, কমেছে ৪২
- ডিএসইতে শীর্ষে বেক্সিমকো, সিএসইতে আরএকে
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সব ধরনের সূচক পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন বেড়েছে ৪৩ শতাংশ এবং কমেছে ৪২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর। আগের কার্যদিবস থেকে এদিন ডিএসইতে লেনদেন পরিমাণ কমলেও সিএসইতে বেড়েছে। গতকাল বুধবার স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
দুই স্টকের এদিন ৪৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর উত্থান হয়েছে। এর মধ্যে ডিএসইর ৪১ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং সিএসইর ৪৫ দশমিক ৩১ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট দর উত্থান হয়। এদিন উভয় স্টকের ৪২ দশমিক ১২ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর পতন হয়েছে। এর মধ্যে ডিএসইর ৪১ দশমিক ২০ শতাংশ এবং সিএসইর ৪৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট দর পতন হয়েছে।
এদিন (বুধবার) ডিএসইতে আইটি, নন ব্যাংকি আর্থিক, সিরামিক, জ্বালানি শক্তি, বস্ত্র এবং ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর উত্থান হয়েছে। এদের মধ্যে আইটি খাতের ৯১ শতাংশ, নন ব্যাংকি আর্থিক খাতের ৭৮ শতাংশ, সিরামিক খাতের ৬০ শতাংশ, জ্বালানি শক্তি খাতের ৫৬ শতাংশ, বস্ত্র খাতের ৫৫ শতাংশ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং খাতের ৫২ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর উত্থান হয়েছে। ডিএসইতে পাট এবং চামড়া খাতের শতভাগ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। এরপর পেপার, বিবিধ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর পতন হয়েছে। এদের মধ্যে পেপার খাতের ৮৩ শতাংশ, বিবিধ খাতের ৭৮ শতাংশ এবং খাদ্য আনুষঙ্গিক খাতের ৬২ শতাংশ খাতের কোম্পানির শেয়ার দর পতন হয়েছে।
দুই স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা যায়, ডিএসইতে বুধবার লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ১১৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবস মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ১১৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৮১টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ১৫৮টির, কমেছে ১৫৭টির এবং পরিবর্তন হয়নি ৬৬টির।
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স দশমিক ১৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৩২ দশমিক ২২ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ১ দশমিক ১৭ পয়েন্ট ও ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক দশমিক ৫৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২ হাজার ৬১২ দশমিক ১৬ পয়েন্টে ও ১ হাজার ৫০৪ দশমিক শূন্য ৫ পয়েন্টে। টাকার অংকে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ কোম্পানি হলো- বেক্সিমকো, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, মতিন স্পিনিং, আরএকে সিরামিক, ওরিয়ন ফার্মা, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, জিপিএইচ ইস্পাত, অগ্নি সিস্টেমস, পাওয়ার গ্রিড, সোনালী পেপার।
অপর পুঁজিবাজারে বুধবার সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবস মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ২৫ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩০৯টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে ১৪০টির, কমেছে ১৩৩টির এবং পরিবর্তন হয়নি ৩৬টির। এদিন সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৩৮ দশমিক ২৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৫৯৭ দশমিক ৬৮ পয়েন্টে।
এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক ২ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট, সিএসই-৩০ সূচক ৯ দশমিক ৬২ পয়েন্ট, সিএসসিএক্স সূচক ২৪ দশমিক ৮১ পয়েন্ট ও সিএসআই সূচক ৪ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১ হাজার ৫২৪ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে, ১৪ হাজার ৩১৪ দশমিক ৫৯ পয়েন্টে, ১২ হাজার ৩৭১ দশমিক ৯৭ পয়েন্টে ও ১ হাজার ২৯১ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে। টাকার অংকে সিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ কোম্পানি হলো- আরএকে সিরামিক, বেক্সিমকো, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন, ইয়াকিন পলিমার, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, অগ্নি সিস্টেমস, কুইন সাউর্থ, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো, লাভেলো, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স।
আনন্দবাজার/শহক








