অন্যান্য শাকের মত পাটশাক সকলের পছন্দ নাও হতে পারে। তবে পুষ্টিগুণে ভরপুর এই শাক শরীরের বিভিন্ন ধরনের উপকার করে। বাজারে মিষ্টি, তেতো দুই ধরনের পাটশাক পাওয়া যায়।
পাটশাক ক্রুশিয়াস প্রজাতির শাক হওয়ায় শরীরে ডিটক্সিফাইয়ের কাজ করে থাকে। এই প্রজাতির শাকসবজি ক্যান্সার প্রতিরোধেও দারুণ ভূমিকা রাখে।
নিয়মিত পাটশাক খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়:
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে: পাটশাকে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। ফলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
হজশশক্তি বাড়ায়: পাটশাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি হজম প্রক্রিয়াতে সহায়তা করে থাকে। এছাড়াও এটি রুচি বাড়াতেও বেশ কার্যকর।
প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: পাটশাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে থাকে। নিয়মিত এ শাক খেলে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের আশঙ্কা কমে।
ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখে: পাটশাকে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ত্বকের ক্ষতিকর ফ্রি র্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করে ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়: পাটশাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে, যা দৃষ্টিশক্তি উন্নত রাখতে ভূমিকা রাখে।
সূত্র : হেলদিবিল্ডার্জড
আনন্দবাজার/এম.কে








