২০ জেলাতে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে
দেশের ৬৪ জেলার ২১ টিতেই শৈত্যপ্রবাহ বইছে। ২০ জেলায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে। এই অবস্থা আরও একদিন থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
গতকাল রবিবার টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাঙ্গামাটি, ফেনী, মৌলভীবাজার, সীতাকুণ্ড উপজেলাসহ রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায় এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, এই তাপমাত্রা আরও একদিন থাকতে পারে। আজ থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। অনেক এলাকায় কমে আসবে শৈত্যপ্রবাহ। তবে রাতের তাপমাত্রা আগের মতোই কম থাকতে পারে।
গতকাল তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে ছিল টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী, পাবনার ঈশ্বরদী, বগুড়া, নওগাঁ’র বদলগাছি, রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও ডিমলা, পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া, কুড়িগ্রামের রাজারহাট, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও বরিশাল। এছাড়া ১০ ডিগ্রির মধ্যে আছে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, কুমিল্লা, ফেনী, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, পটুয়াখালীর খেপুপাড়া ও ভোলায়।
গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় ৬ দশমিক ৮, যা শনিবার ছিল তেতুলিয়া ও রাজারহাটে ৭। এছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আজ কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩; ময়মনসিংহে ছিল ৯ দশমিক ৫, গতকাল ২ ডিগ্রি বেড়ে ১১ দশমিক ২; চট্টগ্রামে ছিল ১৪ দশমিক ৮, ২ ডিগ্রি কমে ১২ দশমিক ৫; সিলেটে ছিল ১০, কিছুটা বেড়ে ১১ দশমিক ৯, রাজশাহীতে ছিল ৮ দশমিক ৯, প্রায় একই রকম রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬; রংপুরে ছিল ৯ দশমিক ২, তা অপরিবর্তিত রয়েছে; খুলনায় ছিল ১০ দশমিক ৮, কিছুটা বেড়ে ১১ ডিগ্রি এবং বরিশালে ছিল ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, গতকালও তা অপরিবর্তিত রেকর্ড করা হয়।
এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। পূর্বাভাসে বলা হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং অন্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।
আনন্দবাজার/এম.আর








