বাংলাদেশ থেকে আমদানি-রফতানির আড়ালে গড়ে প্রতি বছর প্রায় ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। গ্লোবাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এবং এ তথ্যকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
টিআইবি জানায়, এখনই নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে আগামীতে বাংলাদেশের জন্য তা অশনি সংকেত হয়ে দাঁড়াবে। এক্ষেত্রে আর্থিক খাতে আস্থা ও শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রতিষ্ঠানগুলোর জোরদার ভূমিকা পালনের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা।
ড. ইফতেখারুজ্জামান জানায়, অর্থ পাচার হয়, কিন্ত একটু ডাইমেনশন হচ্ছে। সব মিলিয়ে আমাদের দেশের জাতীয় আয়ের একটা বড় অংশ পাচার হচ্ছে, তাই এটা নিয়ে তো প্রশ্ন থাকতেই পারে। আমাদের জিডিপির রেশিও বিশ্বের সর্বনিন্ম পর্যায়ে রয়েছে।
জানা যায়, আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের আড়ালে গড়ে প্রতি বছর প্রায় ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে বাংলাদেশ থেকে। যা মোট বাণিজ্যের ১৪ দশমিক ৬২ শতাংশ। মেশিনারিজ, মেডিকেল সরঞ্জাম, প্লাস্টিক, জ্বালানি থেকে পাচারের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
অর্থনীতি বিশ্লেষক সাব্বির আহমেদ বলেন, একদিকে যেমন দেশ থেকে বৈদেশি মুদ্রা চলে যাচ্ছে। অন্য দিকে একটা ট্রেড ইনব্যালেন্স তৈরি হচ্ছে। ব্যাংকগুলো যখন এলসি ওপেন করছে। তাদেরকে আরও সচেতন হতে হবে।
অর্থ পাচারের তালিকায় বাংলাদেশ ১২ নম্বরে এবং শীর্ষে আফগানিস্তান।
আনন্দবাজার/ টি এস পি








