দেশে আরেক দফায় বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধিতে বেড়ে যাচ্ছে গ্রাহকদের খরচ। বর্ধিত দামে বিল পরিশোধ করতে গিয়ে এক বছরে সব মিলিয়ে ভোক্তাদের পকেট থেকে বেরিয়ে যাবে অতিরিক্ত ২ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা। এ সময়কালে সরকারকেও মূল্য সমন্বয়ের জন্য ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।
অভিযোগ উঠেছে, ভুল পরিকল্পনার কারণে অযৌক্তিক ব্যয়ের ভার বইছে বিদ্যুৎ খাত। উৎপাদন খরচবৃদ্ধির যুক্তি দেখিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ সেবাপণ্যের দাম বৃদ্ধি করা হলেও সরকার গত অর্থবছরে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ গুলোকে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ দিয়েছে ৮ হাজার ৭২২ কোটি টাকা। কিন্তু এ কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতার অর্ধেক বিদ্যুৎও আসেনি জাতীয় গ্রিডে। এ বছর ক্যাপাসিটি চার্জের হার আরো বাড়ানো হয়। এমন নানা অযৌক্তিক খরচের কারণে ভর্তুকি দিয়ে এবং দাম বাড়িয়ে বিদ্যুতের মূল্যহার সমন্বয় করতে হচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা দাম বাড়িয়ে আদেশ জারি করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সঙ্গে বাড়ানো হয় সঞ্চালন মূল্যহারও। খচুরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট (কিলোওয়াট) বিদ্যুতের দাম গড়ে ৩৬ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে প্রতি ইউনিটের গড় দাম ছয় টাকা ৭৭ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে সাত টাকা ১৩ পয়সা। বিইআরসির প্রাক্কলন এবং আদেশ বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগামী এক বছর ৭ হাজার ১৩৫ কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ বিক্রি করা হবে। এ বিক্রি থেকে বিতরণকারী সংস্থা-কোম্পানিগুলোর রাজস্ব আয় হবে ৫০ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা।
আনন্দবাজার/তা.তা








