সপ্তাহের শেষ দুই কার্যদিবসে দেশের পুঁজিবাজারে বড় উত্থান হয়েছে। আর এতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ফিরে এসেছে পুঁজিবাজারে। তালিকা থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে এ টাকা ফিরেছে।
বড় অঙ্কের অর্থ ফেরার সপ্তাহে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সবকটি মূল্য সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে তার সাতগুণ বেশি প্রতিষ্ঠানের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
অবশ্য আগের কয়েক সপ্তাহের মতো গেল সপ্তাহেও লেনদেনে অংশ নেয়া অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত ছিল। গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের বৃদ্ধি পেয়েছে। এর বিপরীতে দাম কমেছে ২২টির। আর ১৯৪টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।
এদিকে আগের সপ্তাহের তুলনায় গেল সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমে গেছে। গেল সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে ১৮৮ কোটি ১১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৮৩৩ কোটি ৭০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় ৬৪৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বা ৭৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ লেনদেন কমেছে।
গেল সপ্তাহে ডিএসইর মূল বাজারে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে রয়েছে- স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস, গ্রামীণফোন, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস, ওয়াটা কেমিক্যাল, ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস, ওরিয়ন ফার্মা, বেক্সিমকো এবং এক্সিম ব্যাংক
আনন্দবাজার/এম.কে








