- ফেব্রুয়ারিতে বেড়েছে ৯৫ শতাংশ
- প্রথম আট মাসে প্রবৃদ্ধি ১৪১ শতাংশ
করোনা মহামারির নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল দেশের পর্যটন শিল্পে। এ কারণে পর্যটনে ব্যাপক লোকসানে গুনতে হয়েছিল। উল্লেখ্যযোগ্য হারে কমেছিল ভ্রমণ কর আদায়। তবে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার সেই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে পর্যটন শিল্প। ফলে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এ শিল্পে। করোনার প্রভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আওতাধীন ভ্রমণ কর আদায় বেড়েছে।
এনবিআর সূত্রমতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যটনে প্রবৃদ্ধি হয় ১৪১ শতাংশ। এর মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবৃদ্ধি হয় ৯৫ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ভ্রমণ কর আদায় হয়েছিল ছিল ৪৫৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। যেখানে আগের অর্থবছরের (২০২০-২০২১) একই সময়ে ভ্রমণ কর আদায় হয়েছিল ১৮৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। সেই হিসেবে প্রবৃদ্ধি ১৪০ দশমিক ৯২ শতাংশ। এর মধ্যে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ভ্রমণ কর আদায় হয় ৯২ কোটি ৭০ লাখ টাকা। যেখানে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আদায় হয় ৪৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা।
এনবিআরের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, করোনার কারণে পর্যটন শিল্প ব্যাপক লোকসানে ছিল। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গত ডিসেম্বর থেকেই পর্যটক বাড়তে শুরু করেছিল। তবে জানুয়ারি থেকে আবার কঠোর বিধিনিষেধ পেরিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি ভ্রমণ কর আদায় হয়। পর্যটন খাতে সবচেয়ে খারাপ সময় গেছে বিগত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে। ওই বছরে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৭১৪ কোটি ৭ লাখ টাকা কম কর আদায় হয়। সেই সময় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে জারি করা কঠোর বিধিনিষেধের নেতিবাচক প্রভাবে ভ্রমণ কর কমে প্রায় ৬৪ শতাংশ।
বিগত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এক হাজার ৫০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয় ২২৫ দশমিক ৯৩ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৩২ শতাংশ আদায় হয়। এর আগের (২০১৯-২০২০) অর্থবছরে তুলনামূলক বেশ ভালো কর আদায় হয়। সে বছরে ৯৩০ দশমিক ৯৬ কোটি টাকার ভ্রমণ কর আদায় হয়েছিল। অন্যদিক আট মাস শেষে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) প্রায় ১৫ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে এনবিআর তার লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৫৩ শতাংশ রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়। অবশ্য, চলতি অর্থবছরে মোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫২৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা।








