বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে দীর্ঘ দুই মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে খুলছে শেয়ার বাজার। আগামীকাল রোববার থেকে দেশের শেয়ারবাজারে আবার লেনদেন শুরু হবে। করোনা আতঙ্কের মধ্যেও এই সিদ্ধান্তে খুশি বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারেজ হাউস কর্মীরা।
বিনিয়োগকারীরা জানান, শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকায় বিনিয়োগকারীদের অর্থ আটকে রয়েছে। ঈদের আগে লেনদেন চালু না করায় অনেক বিনিয়োগকারীর ঈদের খুশি মাটি হয়েছে। এমনকী কোনো কোনো বিনিয়োগকারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
ব্রোকারেজ হাউজের কর্মীরা জানান, শেয়ারবাজারে মন্দার কারণে অনেক দিন ধরেই বেশিরভাগ ব্রোকারেজ হাউজ লোকসানে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকায় হাউসগুলোর লোকসানের মাত্রা আরও বেড়েছে। ফলে চাকরি হারানোর শঙ্কায় ভুগছেন বেশিরভাগ ব্রোকার হাউজের কর্মীরা।
গত বৃহস্পতিবার (২৮ মে) কমিশন সভা করে বিএসইসি আবারো শেয়ারবাজারে লেনদেন করার অনুমতি দেয়। বিএসইসির অনুমতি পেয়ে রোববার থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। স্টক এক্সচেঞ্জের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত শেয়ারবাজারে লেনদেন হবে।
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শেয়ারবাজারে লেনদেন চালুর জন্য ঈদের আগেই আমরা দাবি জানিয়েছে। লেনদেন বন্ধ থাকায় আমাদের অনেক বিনিয়োগকারী ভাইয়েরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ব্রোকারেজ হাউসে অনেকের টাকা আটকে রয়েছে। শেয়ারবাজারে আবার লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত নেয়ায় আমরা খুশি। আমাদের দাবি মেনে নেয়ায় নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ব্র্যাক ইপিএলের এক কর্মকর্তা বলেন, অবশেষে একটা ভালো সংবাদ শুনলাম। লেনদেন না হওয়ায় আমরা মারাত্মক মানসিক চাপে ভুগছিলাম। লেনদেন যাই হোক শেয়ারবাজার খুলছে এতেই আমরা খুশি।
আনন্দবাজার/টি এস পি








