বির্স্তীণ আড়িয়াল বিলে কৃষকের উৎপাদিত বিখ্যাত মিষ্টি কুমড়া যাচ্ছে শহরে। বিলের অসংখ্য ভিটায় দেশীজাতের ভিটার আগাম বিশাল বিশাল এসব চৈত্রা কুমড়া মানুষের নজর কাড়ছে। ট্রলার বা নৌকা ভর্তি করে সোনালী রংয়ের কুমড়া আনা হচ্ছে লোকালয়ে। বিলপাড় এলাকায় প্রতিদিন শতশত মণ মিষ্টি কুমড়ার বিকিকিনি হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে প্রতি কেজি কুমড়া ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে ১০ থেকে ১৪ টাকা দরে। পাইকারি বাজারে এসব কুমড়া প্রতিকেজি বিক্রি করা হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা দরে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আড়িয়াল বিল এলাকার শ্রীনগর উপজেলার শ্যামসিদ্ধি ইউনিয়নের গাদিঘাট বাজার সেতু সংলগ্ন খালে ট্রলার ভর্তি কুমড়ার স্তুপ। বিশাল আকৃতির সু-স্বাদু এসব মিষ্টি কুমড়া রাজধানীর বিভিন্ন পাইকারি বাজারে যাওয়ার অপেক্ষায় আছে। লক্ষ্য করা যায়, ২০ থেকে ৪০ কেজি ওজনের কুমড়ার সংখ্যাই বেশি। এ সময় এক পাইকার ও কৃষকের মধ্যে কুমড়ার বিকিকিনি নিয়ে দামদর চলছে।
স্থানীয় কৃষক মো. মোস্তফা জানান, বিভিন্ন ভিটা থেকে অসংখ্য কুমড়া আসতে শুরু করেছে। বড় আকারের এ ধরণের কুমড়া শুধু আড়িয়াল বিলের ভিটায় ফলন হয়। মানুষ এ কুমড়াকে বিল্লা কুমড়া বা গাদিঘাটের কুমড়া নামে চিনেন। কোনো কোনো কুমড়ার ওজন দুই থেকে আড়াই মণ পর্যন্ত হয়। দেশীজাতের বড় জাতের চৈত্রা কুমড়ার পাশাপাশি আমরা হাইব্রিড জাতের ছোট আকারের কালো কুমড়ার আবাদও করছি। অনেকেই ঘুরতে এসে বিশাল সাইজের কুমড়া দেখে শখের কুমড়া কিনে নিচ্ছেন।
স্থানীয় পাইকার মোহাম্মদ আলী বলেন, ১৮ থেকে ২০ টাকা দরে গত রবিবার কাওরান বাজারে দুই হাজার কেজি মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করে এসেছি। সব খরচ বাদে কুমড়ার কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকার ব্যবসা হয়েছে। আজ ৪ হাজার কেজি কুমড়া কাওরান বাজারে নেওয়ার টার্গেট করছি।
আনন্দবাজার/এম.আর








