উপজেলার জাতসাখিনী, ঢালারচর, মাসুমদিয়া ও বেড়া পৌরসভাসহ প্রতিটি ইউনিয়নেই ধানের আবাদ ভালো হয়েছে। এবছর বেড়ায় ৫ হাজার ৩৫ হেক্টর বোরোর আবাদ হয়েছে।
উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তায় রাস্তায় পুরুষ মহিলা ধান শুকানোয় ব্যস্ত। কোথাও আবার ধান মাড়াই হচ্ছে। বৃষ্টির আগেই ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত সবাই।
কৃষকরা জানান, এ বছর বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। কষ্টের ফসল এখন তারা ঘরে তুলছেন। এ অঞ্চলে ব্রি-২৮ এবং ব্রি-২৯ জাতের ধানের চাষ বেশি হয়েছে । ২৯ জাতের ধানই বেশি আবাদ হয়। বিঘা প্রতি ব্রি-২৮ জাতের ধান ২৮-২৯ মণ এবং ব্রি-২৯ জাতের ধান ২৫-২৬ মণ ধান হওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।
তবে ব্রি-২৮ জাতের ধান ফলন অনেক বেশি হয়েছে। ভেজা ধান বাজারে উঠতে শুরু করেছে। মণ প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা। কিন্তু কৃষকরা জানিয়েছে শ্রমিক খরচ দিয়ে বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে ৩২ হাজার টাকা। এখন বাজারে শুকানো ধান যদি ১১শ টাকার বেশি বিক্রি করা যায় তাহলে লাভ হবে। নয়তো লোকসানের মুখ দেখতে হবে।
আনন্দবাজার/এফআইবি








