চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস তান্ডব চালিয়েছে পুরো বিশ্বব্যাপী। ভাইরাসটি একটি শহর থেকে ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের ২১২টি দেশ ও অঞ্চলে। এর হাত থেকে বাঁচতে অধিকাংশ দেশেই জারি করা হয়েছিল লকডাউন। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় লকডাউন শিথিল করে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরতে শুরু করেছে জনজীবন।
লকডাউন জারি করার পর অনেক দেশই এর সুফল পেয়েছে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও কমতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশে। ফলে দীর্ঘদিনের লকডাউন শিথিল করে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে অনেক দেশেই।
স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডে ফিরছে করোনার উৎপত্তিস্থল উহানের মানুষ। যারা সুস্থ আছেন এবং কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা নেই তাদের কাজে ফেরা এবং ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে সরকারি ভাবে। একই সঙ্গে দেশটির প্রাদেশিক সীমান্ত খুলে দেওয়া হয়েছে।
লকডাউন শিথিল করা হয়েছে ফ্রান্সেও। সোমবার লকডাউন শিথিলের প্রথমদিনই সিয়েনে নদীর তীরে দেখা গেছে লোক সমাগম। দোকানপাট খুলে দেওয়ায় প্যারিসে মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
কড়াকড়ি তুলে নেওয়া হয়েছে স্পেনের কিছু অংশে। সেখানে দোকানপাট এবং রেস্টুরেন্ট চালুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। লকডাউন শিথিল করা হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াতেও। দেশটিতে লোকজন কাজে ফিরতে শুরু করেছে। এদিকে শপিংমল, সেলুন এবং অন্যান্য দোকান খোলার অনুমতি দিয়েছে তুরস্ক।
সোমবার থেকে বেলজিয়ামেও অধিকাংশ দোকান খুলে দেওয়া হলেও রেস্টুরেন্ট, বার ও ক্যাফে বন্ধ থাকছে। সুইজারল্যান্ডে প্রাইমারি ও মাধ্যমিক স্কুল খুলছে। রেস্টুরেন্ট, বইয়ের দোকান ও জাদুঘরে প্রবেশ সংরক্ষিত করা হয়েছে। লকডাউন শিথিল করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস এবং ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যেও।
যুক্তরাজ্যেও লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। তবে গণপরিবহন চালুর অনুমতি দেয়া হয়নি দেশটিতে। জার্মানিতেও তুলে নেয়া হয়েছে লকডাউন। দেশটিতে খুলে দেয়া হয়েছে সব ধরনের দোকান। স্কুলে যেতে শুরু করেছে দেশটির শিক্ষার্থীরা।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস








