ব্যংকিং খাতে বেড়েছে এফডিআরের পরিমান । তবে তা কাঙ্ক্ষিত মনে করছেন না বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালিদ।
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মূল চালিকাশক্তি হলো গ্রাহকের বিভিন্ন মেয়াদে জমাকৃত অর্থ। সাধারনত যে ব্যাংক যত বেশি আমানত সংগ্রহ করতে পারে সেই প্রতিষ্ঠানেরই লাভের অংক বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যা বলছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে মেয়াদি আমানত সাড়ে ৯শ’ কোটি বৃদ্ধি পেয়েছে ব্যাংক খাতে। তারপরের ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রায় একই রকম বাড়ে আমানত। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আরও এক হাজার ৩১ কোটি টাকা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১১ হাজার ৪০০ কোটি টাকায়। কিন্তু আমানত বৃদ্ধির এ ধারাকে নতুন বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক মনে করছেন না বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এ কর্মকর্তা।
তিনি আরও জানান, ডিপোজিট বৃদ্ধি পাওয়া অর্থাৎ যেটাকে আমরা প্রবৃদ্ধি বলি তার গতিটা কম, সে কিন্তু কম বাড়ছে। আর ব্যাংক কিন্তু খুব বেশি বড় ঋণ দিচ্ছে না। তারা ভাবছে এ ডিপোজিটের সাথে সংগতি রেখে যতটুকু করা যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম জানান, সরকার থেকে যেসব সুযোগ সুবিধাগুলো দেয়া হচ্ছে, সেগুলো যেহেতু সরকার পরিপূর্ণ করছে সুতরাং বাস্তবতার নীরিখে অন্যান্য ব্যাংকগুলোকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে অবশ্যই সেগুলো পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক নজরদারি করবে।
ব্যাংকিং খাতের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে রাজনৈতিক শক্তির সদিচ্ছার যথাযথ প্রয়োগ সময়ের দাবি মনে করেন ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা ।
আনন্দবাজার/এফআইবি







