টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জাপানে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার পানিতে ডুবে গেছে দক্ষিণ জাপানের বিভিন্ন এলাকা। বন্যার কারণে সোমবার (০৬ জুলাই) পর্যন্ত সেখানে কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মাঝে নদীর ধারের একটি নার্সিংহোম থেকেই ১৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
এদিকে আরও ১০ জন নিখোঁজ আছে এবং তাদেরের উদ্ধারের জন্য খোঁজ চলছে। এর মধ্যেই আবার কিউশুর মূল দ্বীপে আরও বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে জাপানের আবহাওয়া দফতর।
জানা যায়, কুমা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দু-কূল ভাসিয়ে উপচে পড়ছে পানি। ইতোমধ্যে নদীর পাড় বরাবর থাকা বাড়ি-ঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দিদের উদ্ধারে সেনাবাহিনীর সাথে অন্যান্য উদ্ধারকারী দল রয়েছে। কুমা নদীর প্রচণ্ড স্রোতে ভেসে গেছে স্থানীয় একটি সেতু। ভূমিধসেও বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে হিতোয়োশি শহরে বন্যায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আশিকিতাতে এলাকায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৯ জনের। এরই মধ্যে লাখো বাসিন্দাকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জাপানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়।
দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী জানান, অন্তত ২ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপেরদিকে যাচ্ছে। সংক্রমণের বিস্তার রোধে আশ্রয় শিবিরে থাকা সবাইকে কোভিড-১৯ এর নির্দেশিকা মেনে বারবার হাত ধুতে বলা হচ্ছে।
যদিও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরিস্থিতি সেখানে নেই। তবে সংক্রমণ ঠেকাতে সব পদক্ষেপই আমরা নিয়েছি বলে জানান তিনি।
আনন্দবাজার/এম.কে








