মাছচাষিদের থেকে জানা যায়, পরিস্থিতির কারণে মাছ কেনার লোক নেই বললেই চলে। যার কারণে খুব কম মাছ হাট-বাজারে নেওয়া হয়। তাও বিক্রি করতে হচ্ছে কম দামে। পাইকারি ক্রেতারাও ঠিকমত আসছে না চাষিদের কাছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে জানা যায়, মোট ৮টি পুকুর রয়েছে সন্দ্বীপে। প্রায় ৫০টি হ্যাচারি রয়েছে। বছরে ২০ হাজার টন মাছ উৎপাদন হয় এখানে। সামুদ্রিক মাছ থাকায় উৎপাদিত মাছে সন্দ্বীপের চাহিদা পূরণ সম্ভব হয়।
কালাপানিয়া ইউনিয়নের দ্বীপ হ্যাচারি অ্যান্ড এগ্রোর পরিচালক অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান বলেন, আমার ৩০ একর জমিতে ১৬টির মতো পুকুর রয়েছে। গত একসপ্তাহ ধরে মাছ বিক্রি করতে পারছি না। যার কারণে লোকসানে পড়তে হচ্ছে।
আনন্দবাজার/এস.কে







