- লাফিয়ে বাড়ছে মুরগির দাম
নীলফামারীর ডিমলায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৮০ টাকা দরে। যা সাত দিন আগেও ছিল ৪০ টাকা। প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা দরে। গত সপ্তাহে যা ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। নিত্যপ্রয়োজনীয় দুই পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা।
সকালে বাবুরহাট বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বালাপাড়া এলাকার বাসিন্দা হোসেন আলী জানান, এক সপ্তাহ আগে কাঁচামরিচ ৩৫ টাকায় কিনেছিলেন। আজ বাজারে গিয়ে মরিচে হাতই দেওয়া যায় না এমন অবস্থা। দেশি পেঁয়াজেরও ঝাঁজ বেড়েছে দাম হয়েছে দ্বিগুণ।
এছাড়া দফায় দফায় বাড়তে থাকা ব্রয়লার ও পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দাম আরও বেড়েছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে উপজেলার বাজারগুলোতে ব্রয়লার মুরগির দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০ টাকা বেড়ে হয়েছে প্রতি কেজি ১৭০ টাকা। পাকিস্তানি মুরগি ৬০ টাকা বেড়ে ২৮০, দেশি মুরগি ৬০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ টাকা কেজিতে। সেই সঙ্গে চড়াদামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের সবজি।
মুরগির দামের বিষয়ে বাবুরহাট বাজারের ব্যবসায়ী সোলায়মান আলী বলেন, গত সপ্তাহে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কম ছিল। তবে দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে ফার্ম মালিকরা মুরগি সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ী তফিজার বলেন, ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি কমে গেছে।
দেশি পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ গ্রামে চাষাবাদ কম হয়েছে। আর যেটুকু হয়েছে, সেখান থেকে একশ্রেণির ব্যবসায়ীরা কিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাঠাচ্ছেন। তবে কয়েকজন ক্রেতা জানান, নিয়মিত বাজার মনিটরিং না থাকায় অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রব্যমূল্য।








