রমজানকে সামনে রেখে শাকসবজি উৎপাদনে মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষক-কৃষাণিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনুকূল আবহাওয়া আর উত্তম পরিচর্যার করণে এখানে ফলনও অনেক ভালো হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো থাকার কারনে সবজির চাহিদাও রয়েছে বেশি। তুলনামূলক ভাবে রমজান মাসে শাক-সবজির চাহিদা ও দাম বেশি থাকে। এ কারণে মধুপুরের কুড়াগাছা, শালিকা, মাজিরা, গোলাবাড়ি, দানকবান্দা, লাইনপাড়াসহ বিভিন্ন গ্রামে সবজির চাষে নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত চাষিরা। মধুপুর উপজেলার কুড়াগাছা এলাকার কয়েকজন সবজি চাষিদের সঙ্গে কথা হয় আমাদের।
দুলালমিয়া জানান, আমি এক একর জায়গাতে শশা ও ধুন্দল চাষ করেছি। খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। চলতি বছর আমার ৫০ মণ ধুন্দল ও ৩০ মণ শশা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। গত রমজানে ধুন্দল বেচে ১৬শ’ থেকে ২ হাজার টাকা, শশা ৮শ’ থেকে ১ হাজার টাকা মণ বিক্রি হয়েছে। সে হিসেবে এক থেকে একলাখ কুড়িঁ হাজার টাকা বিক্রি করবো বলে আশা করি।
কৃষক শামীম বলেন, আমরা ১৫ বিঘা জমিতে লাউ, ঢেড়শ, বরবটি, শশা, করলা, মরিচ ও বেগুন চাষ করেছি। আমাদের এখানে দৈনিক ৫ থেকে ৭ জন শ্রমিক কাজ করেন। এ পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ টাকার মত খরচ হয়েছে। ফলন ভালো হচ্ছে, কৃষি অফিস থেকে আমাদের সব ধরনের সহযোগিতা করছেন। আশাকরি রমজানে আমরা ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার সবজি বিক্রি করবো। এছাড়া বিল্লাল, আ. ছাত্তর, তারজুল ইসলাম, সাহাবুদ্দিন, রুবেল মিয়াসহ কয়েকশত কৃষক সবজি চাষ করেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আলমামুন রাসেল বলেন, আমরা কৃষকদের বিষমুক্ত সবজি চাষে সঠিক পরামর্শ ও মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। পলি মালচিং পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ ও লাভজনক। মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষে আগ্রহী কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন এ কৃষি কর্মকর্তা।








