করোনার কারণে রমজানের প্রথম দিনেই সবজি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বগুড়ার কৃষকরা। যানবাহন না থাকা থেকে শুরু করে বাজারে পাইকারি ক্রেতা ও খুচরা ক্রেতা। কোনোটায় নেই আশে পাশের বাজারগুলোতে। ফলে পানির দামে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। অন্যদিকে শহরে সবজির সরবরাহ কম থাকায় তিন থেকে ৪ গুণ বেশি দামে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
জানা যায়, প্রায় এক মাস ধরে সরকার সাধারণ ছুটির পাশাপাশি যানবাহন চলাচলে বিধি নিষেধ আরোপ করেছে সরকার। তবে কৃষি পণ্য পরিবহনে শিথিলতা থাকলেও হাট বাজারগুলোতে চিত্র ছিল উল্টো। বাইরের ক্রেতা না আসা এবং ট্রাক চালকদের অনীহার কারণে পাইকারি সবজির হাটে ট্রাক লোড হচ্ছে না।
বগুড়ার পাইকারি হাটে দেখা যায়, করোলা-৪ টাকা, বেগুন ৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ১০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৭ টাকা ঢেঁড়শ ৬ টাকা এবং পটল ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। আর শহররের বাজারগুলোতে বেগুন, করোলা, ঢেড়শ ২০ থেকে ২৫ টাকা, পটল ৩৫ টাকা এবং কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবুল কাশেম আযাদ বলেন, প্রশাসন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্তত সপ্তাহে দু'দিন পাইকারি সবজির হাটগুলোতে পাইকারদের আসা যাওয়া নিশ্চিত করা গেলে ভাল মূল্য পাবেন কৃষকেরা।এটা করা না গেলে উৎপাদন ব্যবস্থায় বিরুপ প্রভাব পড়বে আগামী দিনগুলোতে।
আনন্দবাজার/রনি








