২০১৯ সালের শুরুতে পুঁজিবাজারে গতিশীলতা থাকলেও গোটা বছর জুড়েই আলোচনায় ছিল দরপতন। বছরের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হাজার কোটি টাকা ছাড়ালেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। জানুয়ারির ঊর্ধ্বগতি আর গোটাকয়েক সাময়িক দরবৃদ্ধি বাদ দিলে প্রায় সারা বছরই মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করে শেয়ারবাজারে। মাত্র বছর খানেকের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা মূলধন হারিয়েছেন ৪৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি। উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে বিদেশিদের লেনদেন।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৯ সালে ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ১৩ হাজার ৮২১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, যা আগের বছরের চেয়ে ১৯ হাজার ৭৬৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা কম। ২০১৯ সালে মোট লেনদেন হয় ২৩৭ দিন|
২০১৯ সালে ডিএসই বাজার মূলধন আগের বছরের তুলনায় ৪৭ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা হ্রাস পেয়ে নেমে এসেছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকায়। শিল্প উদ্যোক্তারা ২০১৯ সালে পুঁজিবাজার থেকে একটি বন্ডসহ মোট ৮টি সিকিউরিটিজ প্রাথমিক আইপিওর মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহ করেন ৬১৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকার।
বৈদেশিক বিনিয়োগকারীদের লেনদেন
২০১৯ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেনের পরিমাণ ৭ হাজার ৮৪৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, যার মোট লেনদেনের ৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ। ২০১৯ সালে ক্রয়কৃত সিকিউরিটিজের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৬৭৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা আর বিক্রয়কৃত সিকিউরিটিজের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ১৬৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
আনন্দবাজার/তা.অ







