পাটের বহুমুখী ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে ফিরছে সোনালী আঁশের সুদিন ফিরছে। পাট গবেষণা ইনষ্টিটিউটের আবিস্কার করা পাট পাতার চা এখন বিদেশে রফতানি হচ্ছে। পাট ও পাট পণ্য উৎপাদনে অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০২০ প্রয়োগ, বাস্তাবায়ন জোরদারকরণ শীর্ষক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা ও আলোচনা সভায় এসব কথা বলে বক্তারা। গতকাল সোমবার গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
এ সময় বক্তারা আরও বলেন, পাটকাঠি পুড়িয়ে উৎপাদিত ছাই দিয়ে তৈরী কার্বন বা চারকোল পাট গাছের মূল দিয়ে তৈরী হচ্ছে জীবন রক্ষাকারী ঔষধ। অত্যাধুনিক জেট বিমান থেকে সাধারণ খেলনাসহ প্রায় সব পণ্যেই এখন কোনো না কোনোভাবে পাটের ব্যবহার হচ্ছে। অন্তত এক হাজার বহুমুখী পণ্য তৈরি হচ্ছে এ পাট দিয়েই।
কর্মশালার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন। সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাদেকুর রহমান। আলোচনায় অংশ নেন মুখ্যপাট পরিদর্শক মকবুল হোসেন, জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মাজেদুল হক মাজেদ, জেলা তথ্য অফিসার মাফুজার রহমানসহ প্রমুখ।








