দেশে বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, আমদানি ও রপ্তানির সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় শুল্কনীতি প্রণয়ন ও প্রয়োগ এবং ট্যারিফ নির্ধারণে ঝামেলা সৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে উৎপাদক ও আমদানিকারকের কাছেও সঠিক তথ্য না থাকলে সংশ্লিষ্ট খাতে বিনিয়োগ করে লোকসানের আশঙ্কা থাকে। অনেক সময় উদ্যোক্তা নিজেই ঋণখেলাপি হয়ে পড়েন। এছাড়া এখন পর্যন্ত শুল্কনীতি প্রণয়ন না হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন পাঁচ বছর আগে শুল্কনীতির খসড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে।
গতকাল চট্টগ্রামের আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে দেশি শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের ভূমিকা এবং শুল্কসংক্রান্ত সহায়তার বিষয়ে মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেমিনারটি ট্যারিফ কমিশন ও চট্টগ্রাম চেম্বার যৌথভাবে আয়োজন করে। চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ট্যারিফ কমিশন চেয়ারম্যান তপন কান্তি ঘোষ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ, চট্টগ্রামের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হক, কাস্টম হাউস কমিশনার এম ফখরুল আলম ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু হাসান।
তপন কান্তি ঘোষ এ সভায় বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনামের মতো রপ্তানি আয় বাড়াতে হলে দক্ষ জনশক্তি দরকার আমাদের। কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমিয়ে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা দিতে হবে। শুধু পোশাকশিল্প-নির্ভর না হয়ে আইসিটি, চামড়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে মনোযোগী হতে হবে।
আনন্দবাজার/তা.তা








