এক হাঁচিতেই বেধে গেল গণ্ডগোল, রীতিমতো বন্ধ হয়ে গেল একটি সড়ক। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের আমডাঙার ৩৪ নাম্বার সড়কে। উত্তর দমদমের বিধায়ক, সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্যের দেহরক্ষীর কাছে একজন হাঁচি দিলে সে গণ্ডগোল শুরু করে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আম্ফানের ক্ষতিপূরণের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ করে দলের তরফে আমডাঙা থানা ও বিডিও অফিসে স্মারকলিপি দিতে আসেন উত্তর দমদমের বিধায়ক, সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্য। কর্মসূচি শেষ করে তিনি যখন গাড়িতে উঠতে যাবেন, তখনই ওই ঘটনা ঘটে। গোলমাল চলার সময়ে বিধায়কের দেহরক্ষী দলীয় বাম কর্মী-সমর্থকদের দিকে পিস্তল তাক করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, তন্ময়বাবু গাড়িতে ওঠার সময়ে ভিড়ের মধ্যে বামফ্রন্টের এক কর্মী হঠাৎ হেঁচে ফেলেন। কর্মীদের একাংশের অভিযোগ, সেই সময়ে দেহরক্ষী ওই কর্মীকে ধাক্কা দিয়ে বলেন, গায়ের উপরে হাঁচছেন কেন? এর পরেই শুরু হয় গোলমাল। ওই কর্মীর গায়ে হাত তোলার প্রতিবাদ করে ওই দেহরক্ষীকে ধাক্কাধাক্কি করতে থাকে জনতা। আমডাঙা ব্লক অফিসের সামনে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপরে ওই ঘটনায় দাঁড়িয়ে পড়ে যানবাহন। গোলমালের সময় তন্ময়বাবুর দেহরক্ষী, সাদা পোশাকের ওই পুলিশকর্মী কোমর থেকে পিস্তল বের করে বিক্ষোভকারীদের দিকে তাক করে গুলি করার হুমকি দেন। তবে তন্ময়বাবু ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ বিষয়ে তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, করোনা আতঙ্কে হাঁচির জেরে ভুল বোঝাবুঝিতেই এই ঘটনা।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস







