অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্পের সংজ্ঞায়নের জটিলতা, প্রয়োজনীয় নথিপত্রের অভাব, জটিল পদ্ধতিসহ নানা কারণে ঋণ সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না। একই সঙ্গে শিল্পখাতে ৮০ শতাংশ কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি ম্যানুফ্যাকচারিং-এ ৪৫% মূল্য সংযোজন করেও আর্থিক এবং নীতিগত সহায়তার অভাবে সম্ভাবনা ও কর্মদক্ষতার পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
গতকাল শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত “ব্যাংক হতে সিএমএসএমই ঋণ/প্রণোদনা প্যাকেজ প্রাপ্তির পদ্ধতি ও প্রস্তুতি” শীর্ষক কর্মশালায় এসব কথা বলেন সংগঠনিটির সভাপতি রিজওয়ান রাহমান।
এতে সম্মানিত অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (এসএমইএসপিডি) মোঃ জাকের হোসেন।
তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের ব্যাংক এ্যাকাউন্ট না থাকা, ব্যাংকের সাথে দুর্বল সম্পর্ক, জামানত সংক্রান্ত সমস্যা এবং এসএমই ডাটাবেইজের অনুপস্থিতিতি। আর্থিকখাতের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও উদ্যোক্তাদের সাথে সমন্বয়হীনতার অভাবে সরকার ঘোষিত ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ হতে কাক্সিক্ষত মাত্রায় ঋণ সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না।
রিজওয়ান রাহমান বলেন, করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত সিএমএসএমইদের ব্যবসা-বাণিজ্যের পুনরুজ্জীবন ও সম্প্রসারণ। সর্বোপরি অর্থনৈতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করতে প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় এখাতের উদ্যোক্তাদের জন্য ১ম ও ২য় ধাপে সর্বমোট ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্যাকেজের যথাযথ বাস্তবায়নের কোন বিকল্প নেই।
মোঃ জাকের হোসেন বলেন, দেশের অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদানের বিষয়টি মাথায় নিয়েই বাংলাদেশ ব্যাংক করোনা মহামারী মোকাবিলায় দু’দফায় ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। তবে স্থানীয় পর্যায়ে এ ঋণ বিতরণের হার সন্তোষজনক নয়।
তিনি বলেন, ১ম ধাপের ২০ হাজার কোটি টাকা হতে ইতোমধ্যে ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ও ২য় ধাপের ২০ হাজার কোটি টাকা হতে চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৬ হাজার ২১৭ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। যা প্রদত্ত প্রণোদনা প্যাকেজের মাত্র ৩১ ভাগ, যা আসলেই কাম্য নয়।








