নববর্ষ উপলক্ষে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন মার্কেটে ভ্যাট বুথ ও উন্মুক্ত স্থানে ভ্যাট স্ট্যান্ড স্থাপনের মাধ্যমে করদাতাদের ভ্যাট সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান করছে ভ্যাট কর্তৃপক্ষ। সোমবার চট্টগ্রাম কাস্টমস্, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের পক্ষ থেকে এসব ভ্যাট বুথ ও ভ্যাট স্ট্যান্ড স্থাপন করা হয়েছে।
আগে থেকে ভ্যাট বুথ বসানো হলেও এবার প্রথমবারের মত ‘ভ্যাট স্ট্যান্ড’ বসানো হয়েছে। মূলত অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ ও ইএফডি’র ব্যবহারকে জনপ্রিয় করা, নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিলসহ সামগ্রিকভাবে ভ্যাট সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে ভ্যাট স্ট্যান্ড বসানোর মত উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেট।
এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ এ মু’মেন বলেন, মূল্য সংযোজন করের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে এবং করদাতাদের সুবিধার্থে নতুন বছরের শুরুতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ভ্যাট বুথ এবং ভ্যাট স্ট্যান্ড বসানো হয়েছে। আশা করি এর মাধ্যমে করদাতারা সহজে অনেক ধরনের করসেবা পাবেন।
যে পাঁচটি উন্মুক্ত স্থানে ভ্যাট স্ট্যান্ড বসানো হয়েছে, সেগুলো হলো-চট্টগ্রাম শহরের কাজীর দেউরি শিশু পার্কের বিপরীতে মুক্ত মঞ্চ, সিইপিজেডের প্রবেশ মুখের বাম পাশে খালি জায়গা, সিঙ্গাপুর ব্যাংক মার্কেট আগ্রাবাদ এর সম্মুখ প্রাঙ্গণ, জিইসি কনভেনশন সেন্টারের সামনের খোলা মাঠ এবং কক্সবাজার কলাতলী পয়েন্টের হোটেল মোটেল জোন।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম নগরীর ৭টি শপিং মলে ভ্যাট কর্মকর্তা ও মার্কেট প্রতিনিধির সমন্বয়ে ‘ভ্যাট বুথ’ স্থাপন করা হয়েছে। সে গুলো হলো-নিউ মার্কেট (বিপণী বিতান), জহুর আহমেদ হকার্স মার্কেট, গোলাম রসূল মার্কেট, টেরীবাজার, রিয়াজউদ্দিন বাজার, সানমার ওশান সিটি ও চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স। পর্যটন শহর কক্সবাজারের আমিরাবাদ, বড়বাজার এবং লোহাগাড়ায় ‘ভ্যাট বুথ’ স্থাপন করা হয়েছে।
ভ্যাট কর্মকর্তারা ব্যবসায়ীদেরকে নিকটবর্তী ভ্যাট বুথ ও ‘ভ্যাট স্ট্যান্ডে এসে নিবন্ধন গ্রহণ, রিটার্ন দাখিল ও অন্যান্য সেবা গ্রহণের অনুরোধ করেছেন। একইসাথে তারা করদাতাদের যে কোন কেনাকাটায় মূসক চালান বুঝে নেয়ার অনুরোধ জানান।
এদিকে, চট্টগ্রামের চান্দগাঁও, পটিয়া, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের ভ্যাট দপ্তরের হেল্প ডেস্ক থেকে বিশেষ করসেবা দেয়া হচ্ছে।
আনন্দবাজার/শহক








