কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, হাওরাঞ্চলের ফসল ডুবির কারণে কেউ যেন না খেয়ে থাকেন সেজন্য ভিজিএফ এবং বিভিন্ন খাদ্য সাহায্য দেওয়া হবে; আমি এর নিশ্চয়তা দিচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুর্নবাসনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। আগামী বোরো চাষে সার ও বীজ বিনামূল্যে দেওয়া হবে। বন্যায় হাওরের ফসল আরও নষ্ট হলে চালের দাম অবশ্যই বাড়বে। তখন কেউ বলবে না বন্যার কারণে দাম বেড়েছে। সারাবিশ্বে করোনা মহামারীর কারণে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে খাদ্য সংকট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারপর যদি আমাদের এতবড় ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেটা দেশের খাদ্য শস্যের উপর বিরাট প্রভাব পড়বে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবো। সমন্বয় কিভাবে বাড়ানো যায়। বাঁধের কাজকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বন্যা আসার আগেই বাঁধের কাজ শেষ করতে হবে।
বাঁধগুলোর মেইনটেন্যান্স রক্ষণাবেক্ষণ আশানুরুপনা। যে ভাবে কিছুটা উন্নতি হয়ে এদের আরো উন্নতি হতে হবে। যে নিয়মে চলে এগুলো আমরা পর্যালোচনা করছি। আমরা তাড়াতাড়ি চেষ্টা করবো এ নিয়ম কাননগুলো আরো কঠিন করে যাতে বাঁধগুলো যথাযভাবে রক্ষা করা যায় তার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। বাঁধের কাজের অনিয়মের তথ্য প্রধানমন্ত্রীকে জানাবো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক, সংসদ সদস্য জয়া সেন গুপ্তা, কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপও, মহিলা সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য শামীমা শাহরিয়ার, জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন প্রমুখ। পরে মন্ত্রী সদর উপজেলার জাওয়ার হাওরে ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ফসলের মাঠ পরিদর্শন করে হারভেস্টারের মাধ্যমে ধান কাটার উদ্বোধন করেন।








