ইতালির লুকা প্রদেশে অবস্থিত ফাব্রিচ দি ক্যারেজিন নামের গ্রামটি ১৯৪৬ সালে তৈরি জলবিদ্যুৎ বাঁধ ও ভাগলি হৃদের কারণে পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায়। এরপর মাঝে মাঝে বাঁধের পানি সরিয়ে নিলে দেখা যেত গ্রামটিকে, সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছিল এটি।
১২ শতকের এই ইতালিয়ান গ্রাম সিকি শতাব্দি পর জলের তল থেকে মাথাচাড়া দিচ্ছে। তবে সেখানকার সাবেক বাসিন্দা ও তাদের সন্তানদের দাবি গ্রামটি যেন আবার ডুব না দেয়।
বাঁধের কারণে গ্রামের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল নতুন লেকসাইড শহর ভাগলি ডি সটিতে।
৩.৪ কোটি কিউবিক মিটার পানিতে ডুব দেওয়া গ্রামের পাথরে তৈরি বাড়ি, একটি সেতু, গোরস্তান ও সান থিওডরো চার্চ এখনো টিকে আছে।
১৯৫৮, ১৯৭৪, ১৯৮৩ ও সর্বশেষ ১৯৯৪ সালে বাঁধ খালি করা হলে ভুতুড়ে গ্রামটি জেগে উঠে। সাধারণত প্রতি দশ বছর অন্তর অন্তর মেরামতের জন্য বাঁধের অনেকটা খালি করা হয়।
ইতালির সংবাদমাধ্যমের বরাতে সিএনএন জানায়, স্থানীয় রাজনীতিবিদরা অনেক দিন ধরে হৃদ শুকিয়ে গ্রামটিকে আবার আগের রূপে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন।
২৭ বছর পর সম্প্রতি আবারও হৃদটি শুকানোর লক্ষণ দেখা দিয়েছে। এক ফেইসবুক পোস্টে সাবেক মেয়র কন্যা লরেঞ্জা গিওর্গি লেখেন, আগামী বছর হৃদটি শুকিয়ে যাবে। তার বাবা মারিও পাগলিয়া মেয়র থাকাকালে ১৯৯৪ সালে সর্বশেষ গ্রামটি জেগে উঠেছিল। তিনি পর্যটন ও স্থানীয় কর্মসংস্থানকে উজ্জীবিত করতে হৃদটিকে শুকিয়ে ফেলার কথা বলেন।
আনন্দবাজার/তা.তা








