ইন্দোনেশিয়ার পাম অয়েলের রফতানি চলতি বছর ৩ শতাংশ কমার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বছর শেষে পণ্যটির রফতানির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৩ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার টনে। স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের চাহিদায় উল্লম্ফনের কারণে রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ান পাম অয়েল অ্যাসোসিয়েশন।
অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর রফতানি কমলেও পণ্যটির উৎপাদন বাড়বে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। কিন্তু পাম অয়েল সরবরাহের ক্ষেত্রে সম্প্রতি দেশটির সরকার ঘোষিত নতুন বিধান এ পূর্বাভাসে প্রভাব ফেলবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পাম অয়েল রফতানি নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেদেশটির সরকার। যার মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে পণ্যটিরদামও কমিয়ে আনা সম্ভব বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদক ও রফতানিকারক ইন্দোনেশিয়া। গত বছর দেশটি ৩ কোটি ৪২ লাখ ৩০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি করে। এসময় উৎপাদন হয়েছে মোট ৪ কোটি ৬৮ লাখ ৯০ হাজার টন।
নতুন নীতিমালার অধীনে উৎপাদকদের রফতানির জন্য স্থানীয় বাজারে সরবরাহ করতে হবে নির্ধারিত পাম অয়েলের ২০ শতাংশ। এ নীতি শুধুমাত্র অপরিশোধিত পাম অয়েল, পাম অলিন এবং ভোজ্যতেল হিসেবে ব্যবহূত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
অ্যামইনভেস্টমেন্ট বিশ্লেষক গ্যান হুই লিং এক নোটে জানিয়েছেন, বাজার প্রত্যাশা অনুযায়ী উৎপাদকরা মোট পাম অয়েলের ২৫ শতাংশ যদি স্থানীয় বাজারে সরবরাহের জন্য সরিয়ে রাখেন, তবে দাম নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
তিনি আরও জানান, সরকারের নীতিমালায় নির্ধারিত সরবরাহের হার প্রত্যাশার তুলনায় কম। রফতানির জন্য এখনো অনেক পথ খোলা।
আনন্দবাজার/টি এস পি








