নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদীর বুকে জেগে ওঠা ধুধু বালুচরে পেঁয়াজের ভালো ফলন হয়েছে। এতে চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। সর্বনাশা তিস্তায় জেগে ওঠা চরসমূহে পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তারা।
গত বছর সংকটে পেঁয়াজের দর ভালো পাওয়ায় চর এলাকার চাষিরা অন্যান্য ফসলের চেয়ে পেঁয়াজ চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় ৭৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষাবাদ হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, চরাঞ্চলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবারের আকস্মিক বন্যায় আমনচাষে ক্ষতিগ্রস্ত চর এলাকার কৃষকরায় পেঁয়াজ চাষে করে সফলতার স্বপ্ন বুুনছেন।
পেঁয়াজ চাষি বেলাল জানান, পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে আমরা দারুণ খুশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজক্ষেতে রোগ বালাই দেখা যায়নি।
পেঁয়াজ চাষিরা বলছেন, বর্তমান বাজার স্থিতিশীল থাকলে পেঁয়াজ চাষিরা লাভবান হবে। এছাড়াও আগামীতে পেঁয়াজ চাষিদের আগ্রহী হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী বলেন, গত বছর পেঁয়াজের সংকট এবং মূল্যবৃদ্ধি হওয়ায় সরকার উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাষিদের বিনামূল্যে পেঁয়াজের বীজ ও সহায়তা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ও প্রত্যাশিত উৎপাদন পেলে উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্যজেলায় সরবরাহ সম্ভব হবে ডিমলা উপজেলার পেঁয়াজ।
আনন্দবাজার/এম.আ








