চলতি বছর কয়েক দফা ভারী বর্ষণে দেশের বিভিন্ন স্থানেই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ফসলের। টানা বৃষ্টিতে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাঁচা মরিচের ক্ষেত।
মরিচ চাষিরা বলেন, টানা ভারী বর্ষণে বেশিরভাগ মরিচক্ষেতে পানি জমে গেছে। এ অবস্থায় মরিচের জমিতে ইঞ্জিন দিয়ে কোনভাবেই সেচ দেওয়া সম্ভব না। কিন্তু এদিকে বৃষ্টির পানিতে ক্ষেতের অনেক মরিচগাছ মরে যাচ্ছে। এর ফলে এ উপজেলায় কাঁচা মরিচের ফলনে বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উপজেলার গুলিয়া গ্রামের কৃষক শামছুর রহমান জানান, দুই বিঘ্যা জমিতে মরিচের আবাদ করছিল্যাম। বৃষ্টিতে আমার গাছ মইর্যা য্যাচ্ছে। এবার দুই হাজার টেকার মরিচও বেচব্যার পারি নাই।
টানা বৃষ্টিতে উপজেলার বেশিরভাগ মরিচক্ষেতে ব্যাপক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। তাই বাজারে মরিচের মূল্য বেশি হলেও এ উপজেলায় ব্যাপক লোকসান দিতে হচ্ছে মরিচ চাষিদের। বর্তমানে বাজারে পাইকারি ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি মূল্যে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে। এমন দামে উপজেলার মরিচ চাষিদের খুশি হওয়ার কথা হলেও তাদের মুখে নেই হাসি ।
এই ব্যাপারে নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আদনান বাবু জানান, এ বছর উপজেলায় ২৫০ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। বৃষ্টিতে মরিচের ক্ষেত বিলীন হয়েছিল। তবে সাথে সাথে মরিচ চাষিরা শ্যালো ইঞ্জিন দিয়ে সেচ দেওয়ায় মরিচগাছ পুরোপুরি নষ্ট হয়নি।
আনন্দবাজার/এইচ এস কে








