করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে পোশাক কারখানা খোলা রাখবে কিনা সেটা কারখানা মালিকদের উপর ছেড়ে দিচ্ছেন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ। কিন্তু কারখানা খোলা কিংবা বন্ধ রাখলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের মার্চ মাসের বেতন দিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তারা।
রফতানিমুখী নিট পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান বলেন, আজ ৪ এপ্রিলের পর থেকে আপনি আপনার করাখানাটি পরিচালনা করবেন কিনা তা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কারখানা পরিচালনা করার জন্য অবশ্যই করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের রক্ষা করার জন্য সব স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকের সব দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মালিকের থাকবে। কারখানা চালু রাখা বা বন্ধ রাখা যে কোনো অবস্থাতেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতন যথাসময়ে পরিশোধ করতে হবে।
বেতন পরিশোধের বিষয়ে একই কথা বলেছেন বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক।
পোশাক শ্রমিকদের ১১টি সংগঠনের জোট গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সমন্বয়কারী মাহবুবুর রহমান ইসমাঈল জানান, আমরা বার বার বলে এসেছি শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে আপাতত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য। কিন্তু নানা অজুহাতে সারা দেশে অচলাবস্থার মাঝেও মালিকপক্ষের অনেকেই কারখানা চালু রেখেছেন। এখন সরকার ঘোষিত ঘরে অবস্থান কর্মসূচি বেড়েছে। কিন্তু আমাদের দাবি হচ্ছে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যেই সব পাওনা পরিশোধ করতে হবে।
আনন্দবাজার/ টি এস পি








