সৌদি আরবের যুবরাজ সালমানের সাথে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহুর গোপন যে বৈঠকের খবর প্রকাশ হয়েছে তা অস্বীকার করেছে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান এক টুইটে বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সফরের সময় যুবরাজ সালমান এবং ইসরাইলের কর্মকর্তারা উদ্দেশ্যমূলক বৈঠকে অংশ নিয়েছেন এমন বিভ্রান্তিমূলক খবর প্রকাশ পেয়েছে। একটি বৈঠক ঠিকই হয়েছে। কিন্তু ওই বৈঠকে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ইসরাইলসহ বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী গণমাধ্যমে নেতানিয়াহু এবং যুবরাজ সালমানের মধ্যে গোপন বৈঠক হয়েছে, এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। যদিও এমন খবরের কোন ভিত্তি নেই। দুজনের মধ্যে কোন সাক্ষাত হয়নি।
মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, সৌদি আরবের উপকূলীয় শহর নিওমে কয়েক ঘণ্টা অতিবাহিত করেন নেতানিয়াহু। তার সঙ্গে ইসরাইলি গুপ্তচর বাহিনীর প্রধান ইয়োসি কোহেনও ছিলেন। সেখানে তিনি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও-র সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে সেখানে যুবরাজ সালমানের সঙ্গে নিজের সাক্ষাৎকারের বিষয়টি স্বীকার করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও।
উল্লেখ্য, সৌদির সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে বিনইয়ামিন গোপনে সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এমন খবর প্রকাশ হয়। এর আগে, আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করে ইসরাইল। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় তেল আবিব সামনে আরও কয়েকটি মুসলিম রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আনন্দবাজার/এহসান








