আলুর সাথে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। অল্প সময়ে কম খরচে বেশী ফলন পাওয়ায় উপজেলার আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের অনেক কৃষক আলুর জমিতে সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়া চাষ করছেন।
সাধারণত জমি থেকে আলু তুলে নেয়ার পর অন্য ফসল রোপনের পূর্ব পর্যন্ত জমি খালি পড়ে থাকে। রোপনকৃত আলুর চারা গজানোর ২৫/৩০ দিন পর সাথী ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়ার বীজ রোপণ করা হয়।
বীর বারইটারী গ্রামের কৃষক শহিদ তার ১৮ শতাংশ জমিতে আলুর সাথে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছিলেন। সেই জমিতে ৯০০ কুমড়া ফলেছে। পাইকাররা প্রতিটি কুমড়ার জন্য গড়ে ৩০ টাকা করে দিতে ইচ্ছুক। তিনি আরও বেশী দাম পাওয়ার আশাবাদী। তিনি জানান কুমড়া চাষের জন্য তেমন খরচ করতে হয়নি উপরন্তু হাজার ত্রিশের মতো টাকা বাড়তি আয় হবে।
মাঝিটারী গ্রামের কৃষক ফারুক হোসেন জানান, এবছর আমি চল্লিশ শতাংশ জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছি। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বীজ ও সার সরবরাহ করি। এতে তার তেমন খরচ হয়নি। ওই জমিতে ২৫০০ কুমড়া ফলেছে। প্রতিটি মিষ্টি কুমড়া গড়ে ৩০ টাকা দরে বিক্রির আশা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, আলুর সাথে মিষ্টি কুমড়া চাষ করা হলে তেমন বাড়তি খরচ হয়না কিন্তু অল্প সময়ে আর্থিক ভাবে অধিক লাভবান হওয়া যায়। অন্য ফসল চাষ করে এতটা লাভবান হওয়া যায় না। আলুর সাথে মিষ্টি কুমড়া চাষের আগ্রহ বাড়াতে কৃষক ভাইদের বীজ ও সার সহ প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।
আনন্দবাজার/শহক







