করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারীর সাথে এখন পুরো বিশ্ব লড়াই করছে। ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াই করে ইতোমধ্যে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও তাইওয়ান অনেকটা সফল হওয়ার দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে। কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণ অনেকটাই কমিয়ে এনেছে দেশগুলো।
চীন সরকার একে ‘গণযুদ্ধ’ হিসেবে ঘোষণা দেয় এবং ফাইট অন উহান, ফাইট অন চায়না কর্মসূচি চালু করে। এ ছাড়া অনুপ্রেরণামূলক ছবি, বিজ্ঞাপন তৈরি করে যুদ্ধকালীন প্রচারের মতো প্রচার চালাতে শুরু করে। আর অন্যান্য দেশগুলোও চীনের নীতি অনুসরণ করে সফলতার মুখ দেখেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে,নাগরিকদের সচেতনতা ও বিশ্বজুড়ে পরস্পরের সহযোগিতার মাধ্যমে আক্রান্ত দেশগুলো ভাইরাসটির মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে। নিউইয়র্ক টাইমস, রয়টার্স ও বিবিসি সূত্রে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সমন্বিত ও নিরাপদ উপায়ে পরীক্ষা করাতে হবে। গুরুতর অসুস্থদের অবশ্যই আগে যেতে হবে এবং পরীক্ষকদের অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে। চীনে যারা পরীক্ষার জন্য গিয়েছিলেন, তারা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আগে তাদের উপসর্গের বিবরণ দিয়েছিলেন। যদি চিকিৎসক পরীক্ষার সিদ্ধান্ত দেন, তবেই অন্য রোগীদের থেকে দূরে কোনো ক্লিনিকে তার পরীক্ষা করা হয়েছিল। চিকিৎসকরা জ্বর মাপার পর প্রশ্ন করেন। এরপর তাদের ফ্লু পরীক্ষা ও ইনফ্লুয়েঞ্জা পরীক্ষার পর তাদের ফুসফুস সিটি স্ক্যানে পরীক্ষা করে দেখা হয়। এরপর কেবল করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য বলা হয়।
চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর ও তাইওয়ানের চিকিৎসকরা হাসপাতালের ফার্মাসিতে যা কিছু ছিল তা নিয়েই যুদ্ধে নেমেছেন। তারা অ্যান্টি-ম্যালেরিয়া ড্রাগ ক্লোরোকুইন এবং হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন এবং অ্যান্টি-ভাইরাল রেমডিসিভার ব্যবহার করেছিল। তবে এগুলো ওষুধ ব্যবহারের কোনো অনুমতি নেই। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে এগুলো কার্যকর কি না, এরও কোনো প্রমাণ নেই।
আনন্দবাজার/তা.তা







