বুড়িমারী স্থলবন্দর
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের বুড়িমারী স্থলবন্দরের পুলিশ অভিবাসন চৌকি (ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট) দিয়ে ভ্রমণসহ সকল ভিসাধারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
বুড়িমারী স্থলবন্দরের অভিবাসন পুলিশে উপ পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন জানান, গতকাল বুধবার সাড়ে ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত উভয় দেশের ৪০ জন পাসপোর্ট যাত্রী বুড়িমারী স্থলবন্দর চেকপোষ্ট ব্যবহার করেন।
তিনি আরও বলেন, পুলিশ অভিবাসন চৌকি দিয়ে পাসর্পোট ধারী যাত্রীদের যাতায়াতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ৯ থেকে ৫টা পর্যন্ত দুই দেশের যাত্রী পারাপার করতে পারবেন।
বুড়িমারী অভিবাসন পুলিশ সূত্র জানায়, প্রায় দুই বছর এ স্থলবন্দর দিয়ে ভ্রমণ ভিসায় যাত্রী পারাপার বন্ধ ছিল। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ভারতের ওপারের চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরের অভিবাসন পুলিশে উপপরিদর্শক (এসআই) সমীর শামাং এ পথে ২০২২ সালে যেসব ভিসা অনুমোদন পাবে ও ওই ভিসায় চ্যাংরাবান্ধা পথ যাদের উল্লেখ থাকবে, তাঁরা এ পথ ব্যবহার করে ভারতে যাতায়াত করতে পারবেন। একই ভাবে ভারতীয় ভিসাধারীরাও এ পথে যাতায়াত করতে পাবেন বলে তিনি জানান। প্রথম দিনে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত উভয়দেশের ২৫ জন যাত্রী পারাপার হয়েছেন এরমধ্যে ভারতের দশ জন ছিল।
জানা যায়, করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দুই বছর ভ্রমণ ভিসাধারীদের এ পুলিশ অভিবাসন চৌকি দিয়ে যাতায়াত বন্ধ ছিল। এতে রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রামের পাসপোর্ট যাত্রীদের ভারতে প্রবেশের কষ্ট কর ছিল। এদিকে বুড়িমারী স্থলবন্দরে এ অভিবাসন চৌকি খুলে দেয়ার খবর পেয়ে স্বস্তি মিলেছে ভ্রমন ও ভারতে চিকিৎসা নেয়া রোগীদের।
পাটগ্রাম পৌর এলাকার আলমগীর হোসেন জানান, চেকপোস্ট বন্ধ থাকায় ভারতে চিকিৎসা নিতে পারছিলাম না। দীর্ঘদিন ধরে রোগে ভুগছি। চেকপোস্ট খুলে দেয়ায় ভারতে গিয়ে চিকিৎসা সেবা নিতে পারবো।
তাছাড়া স্থলবন্দরে বন্দরের ব্যবসায়ী রাশেদ হোসেন বলেন, এ অভিবাসন চৌকি দিয়ে সকল ভিসাধারীদের যাতায়াতের পথ খুলে দেয়ায় এ স্থলবন্দরটির প্রাণচঞ্চলতা ফিরে পেয়েছে। কেননা এ বন্দর দিয়ে প্রতিদিন উভয়দেশে পাঁচ শতাধিক মানুষ চলাচল করেন।
এ বিষয়ে বুড়িমারী স্থলবন্দরের অভিবাসন পুলিশে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিয়ম অনুযায়ি এখন থেকে এ স্থলবন্দরের শুন্যরেখায় আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা চৌকি (আইসিপি) দিয়ে ওপারের ভারতীয় চাংরাবান্ধা ভারতীয় অভিবাসন পুলিশের ভ্রমণ ভিসাধারীরা যাত্রীরা যাতায়াত করতে পারবেন।








