মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে শীতকালীন আগাম বিভিন্ন সবজি চাষের পাশাপাশি ফুলকপি চাষে অধিক লাভবান হচ্ছেন কৃষক। প্রায় এক থেকে দেড় কেজি ওজনের প্রতিটি ফুলকপি পাইকারি দরে বিক্রি করা হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। খুচরা বাজারে এসব কপি প্রতিটি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। বিষমুক্ত টাটকা ফুলকপির চাহিদা থাকায় সবজির পাইকাররা জমিতে দাঁড়িয়ে থেকে কপি সংগ্রহ করে নিচ্ছেন।
উপজেলার কুকুটিয়া এলাকার মুসলিমপাড়ার কৃষক সাইফুল ইসলাম আগাম ফুলকপির আবাদ করে আর্থিক লাভবান হয়েছেন। এরই মধ্যে জমির উৎপাদিত ফুলকপি থেকে আয় করেছেন প্রায় দেড় লাখ টাকা। ৬০ শতাংশ জমিতে এ চাষে তার খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা।
সরেজমিনে দেখা যায়, জমি থেকে মাঝারি আকারের ফুলকপিগুলো তোলা হচ্ছে। বাজারে চাহিদা থাকায় সবজির পাইকাররা জমিতে দাঁড়িয়ে থেকে ফুলকপি নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। দেখা যায়, ভিন্ন ভিন্ন জমিতে ফ্রেস, সিরাজী ও ৭৭ হাইব্রিড জাতের ফুলকপির চাষ করা হয়েছে।
এ সময় পাইকার রমিজউদ্দিন বলেন, লৌহজং উপজেলার মালিরঅঙ্ক বাজারে তিনি সবজির ব্যবসা করেন। ১০ দিন হলো এ ক্ষেতের কপি নিয়ে বিক্রি করছি। এসব কপি খাওয়ায় বেশ সুস্বাদু হওয়ায় বিক্রি বেশি হচ্ছে। মঞ্জুরুল ইসলাম নামে এক সবজি বিক্রেতা বলেন, প্রতিদিন তার দোকান থেকে প্রায় দুই শতাধিক ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে। চাহিদা বেশি থাকায় এখানে এসে প্রয়োজন মত কপি সংগ্রহ করে নিচ্ছি। মাঝারি সাইজের একটি ফুলকপি ৫০ টাকায় বিক্রি করতে পারছি।
কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি জমিতে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কপির চারা রোপণ করেছি। জমি থেকে পাইকারি দরে এ পর্যন্ত দেড় লাখ টাকার ফুলকপি বিক্রি হয়েছে। আরও ৩ হাজার পিস কপি বিক্রি করা যাবে। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে এগুলো সব বিক্রি হয়ে যাবে। এ জমিতে আগাম ধুন্দল চাষের চিন্তা করছি। তিনি আরও বলেন, সবজি চাষে সরকারিভাবে সাহায্য সহযোগীতা করা হলে এচাষে স্থানীয় কৃষকদের আগ্রহ বাড়তো।
আনন্দবাজার/এম.আর








