বাংলাদেশ চীনের মুদ্রা ব্যবহার করতে পারে: চীনের রাষ্ট্রদূত
বৈশ্বিক সংকটের কারণে জ্বালানি সরবরাহ সমস্যায় রয়েছে বাংলাদেশ। পরিস্থিতি খারাপ হলে চীন এ বিষয়ে সহযোগিতা করবে। চীন জ্বালানি আমদানি করে থাকে এবং রপ্তানি করার পরিস্থিতি নেই। এরপরেও যদি বাংলাদেশে অত্যন্ত প্রয়োজন হয় চীন অলস বসে থাকবে না এবং কিছু একটি করবে বলে জানিয়েছে ঢাকাস্থ চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত কমছে। বৈদেশিক মুদ্রা, বিশেষ করে ডলার সাশ্রয়ের জন্য চীনের সঙ্গে বাণিজ্যে রেনমিনবি (চীনের মুদ্রা) ব্যবহার করতে পারে। একইসঙ্গে চীনে রফতানি বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আরও তৎপর হতে হবে।
গতকাল বুধবার ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ আয়োজিত ডিক্যাব টকে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, চীনে প্রতি বছর ইমপোর্ট এক্সপো (বাণিজ্য মেলা) হয় যেখানে অনেক দেশ চীনের বাজারের জন্য তাদের পণ্য প্রদর্শন করে। বাংলাদেশকে আমরা বিনা পয়সায় সেখানে বুথ দিতে চাই। কিন্তু এখানকার ব্যবসায়ীরা আগ্রহী হয় না।
অন্য একটি উদাহরণ দিয়ে লি জিমিং বলেন, কুনমিংয়ে একটি প্রদর্শনীর একটি ভিডিও আমি পেয়েছি কিছুদিন আগে। যেখানে দেখানো হচ্ছে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের সেলফে কোনও পণ্য নেই এবং গোটা প্যাভিলিয়নটি খালি। আমি ভিডিওটি বাংলাদেশ-চীন চেম্বারকে দিয়েছি যাতে করে সেলফে পণ্য প্রদর্শনী করা হয়।
বাংলাদেশ ও চীন এই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এক হাজার ৮০০ কোটি ডলারের বেশি এবং এর মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রায় ৫০ কোটি ডলারের মতো। রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, আমরা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি অনুরোধ পেয়েছি এবং ইতোমধ্যে আমি সেটি বেইজিংয়ে প্রয়োজনীয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।








