অভিনেত্রীদের মতো অভিনেতারাও শুয়েই কাজ জোগাড় করেন?- শ্রীলেখার উদ্দেশ্যে এমন উত্তপ্ত বাক্য ছুড়ে দিয়েছেন টলিউডের অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। সুশান্ত সিং রাজপুতের জন্য সমবেদনা জানাতে গিয়ে শ্রীলেখা অভিযোগ করেন যাঁরা প্রযোজক-পরিচালকদের সঙ্গে অবলীলায় শুতে-বসতে পারেন তারাই বেশি কাজ পান। শ্রীলেখার এমন মন্তব্যের জবাবে এই কথা বলেছেন স্বস্তিকা।
শ্রীলেখা একটি ভিডিও বার্তায় জানান, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের ‘প্রেম’ থাকার জন্যই নাকি তিনি ‘বুম্বাদা’র বিপরীতে অনেক ভাল ছবির নায়িকা হতে পারেননি। যাঁরা প্রযোজক-পরিচালকদের সঙ্গে অবলীলায় শুতে-বসতে পারেন তাঁরা মুঠো মুঠো কাজ পান। তিনি সেটাও পারেননি, মাথার ওপরে গডফাদারও নেই। ফলে, তিনি সুশান্ত সিং রাজপুতের যন্ত্রণা মজ্জায় মজ্জায় অনুভব করতে পারছেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে নিজের ফেসবুক পোস্টে শ্রীলেখাকে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে স্বস্তিকা বলেছেন, যখন কোনও অভিনেত্রী কোনও পরিচালককের সঙ্গে এক বা একের বেশি ছবি করে তখন বলা হয়, সে শুয়ে বা প্রেম করে কাজটা পেয়েছে। বেশ। তা, আমি এক পরিচালকের সঙ্গে তাঁর জীবনের ১৭টা ছবির মধ্যে আড়াইখানা ছবি করেছি (২টি মুখ্য চরিত্র, একটি অতিথি শিল্পী)। কিন্তু যেহেতু এই পরিচালকের সঙ্গে সৌমিক হালদার ১১টা, অনুপম রায় ৯টা, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ৭টা, যিশু সেনগুপ্ত ৭টা, অনির্বাণ ভট্টাচার্য ৬টা এবং পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ৬টা কাজ করেছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই আরও বেশি করে শুয়ে আর প্রেম করে কাজগুলো পেয়েছেন? এনারা তা হলে সবাই উভকামী ও সুযোগসন্ধানী? যুক্তি তো সবার ক্ষেত্রেই এক হওয়া উচিত, তাই না? নাকি নিজের খামতি ঢাকতে স্লাট শেমিং শুধু আমাদের মতো ‘কুযোগ্য’ অভিনেত্রীদের করা হবে যারা একেবারেই অভিনয়টা পারে না?
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস







