অমর একুশে বইমেলা
অমর একুশে বইমেলার চতুর্থ দিন ছিলো গতকাল শুক্রবার। ছুটির দিনে মেলায় বইপ্রেমীদের উপস্থিতি ছিলো অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি। তবে মেলায় বড় স্টলগুলো বই বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করলেও ব্যতিক্রম দেখা যায় ছোট স্টলগুলোতে। প্যাভিলয়নের চাপে অনেকটা কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে ছোটস্টলগুলো।
বিকেলের দিকে মেলা ঘুরে দেখা যায়, অন্যপ্রকাশ, কথা প্রকাশ, সময়, অনন্যা, প্রথমা, অনুপম এবং সাহিত্য প্রকাশনীসহ আরও অনেক প্রকাশনীর বিপনন কর্মীরা বই বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করচেন। এসকল স্টলে দেখা যায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। তবে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম চিত্র লক্ষ্য করা যায় পশ্চাত দিকের ছোট স্টলগুলোতে। ক্রেতাবিহীন অবসর সময় পার করছেন এ প্রকাশনীর বিক্রেতারা।
দৈনিক আনন্দবাজারের এ প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় কয়েকটি প্রকাশনীর বিক্রেতাদের সঙ্গে। এ সময় তাঁরা জানায় তাদের কোনঠাসা অবস্থার কথা। ক্রেতাহীন অবস্থায় মন খারাপ করে বসে আছেন আবির প্রকাশনীর বিপনন কর্মকর্তা রিয়েল। জানতে চাইলে তিনি বলেন, স্টল ভেতরের দিকে হওয়ার কারণে কাস্টমার কম আসে। এ কারণে বিক্রিও খুবই কম। স্টল সামনের দিক হলে বিক্রি আরও বেশি হতো।
চারদিকে যখন সবাই বই বিক্রিতে ব্যস্ত ব্যতিক্রম ছিলো তখন বাসিয়া প্রকাশনীর রিয়ন। স্টলে ক্রেতার নেই কোনো চাপ, করছিলেন নাস্তা। তিনি বলেন, অন্যান্যদের তুলনায় আমাদের স্টলে বেচা-বিক্রি কম। আমাদের এখানে ক্রেতা কম আসে। যাঁরা আসে তাদের মধ্যে অনেকেই কোনো ধরনের বই না নিয়েই চলে যায়।
সিঁড়ি প্রকাশনীর সানজিদ জানান, মেলা শেষে গুণতে হবে লসের খাতা। বিক্রি খুবই অল্প। যা খুবই হতাশাজনক। এছাড়াও লিটল ম্যাগ চত্ত্বরের স্টল গুলোকেও বসে বসে অবসর সময় পার করতে দেখা যায়।
ঠিক একই রকম অবস্থায় রয়েছেন, শব্দভূমি প্রকাশনা, সপ্তবর্ণ প্রকাশনা, শৈলী প্রকাশন, কুষ্টিয়া প্রকাশন, এক রঙা এক ঘুরি প্রকাশনী, আবরার প্রকাশনা, বোধি মডার্ন প্রকাশনী, বৈভ্রব, লেখালেখি প্রকাশনা, উচ্ছ্বাস প্রকাশনী, আলোর ভুবন, অমিয় ধারা, রচয়িতা প্রকাশনা, জাগতিক প্রকাশন এবং ইলমা পাবলিকেশন্স।
এদিকে গতকাল শুক্রবার মেলার ১১ তম দিনে ২৪৯টি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মেলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৪২টি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে।








