- জামালপুরে স্লুইচ গেইট স্থাপনের দাবি কৃষকদের
জামালপুরের মেস্টা ইউনিয়নের চরমল্লিকপুর এলাকায় উজানি পানির ঢলে কৃষকের স্বপ্ন এখন ভেস্তে যাচ্ছে। এখন কার্তিক মাসের আগমনি সময়। সবুজে সবুজে ভরে উঠেছে এ অঞ্চলের শস্যের মাঠ। সেই সঙ্গে রঙিন হয়ে উঠেছে প্রান্তিক কৃষকদের স¦প্ন। মাঠজুড়ে এখন সবুজ স¦প্নের ছড়াছড়ি। এমন সময় আমনের শেষ মুহুর্তে ক্ষেতের রবি শস্য ও কাঁচা ধান উজানি পানির ঢলে তলিয়ে যাচ্ছে। রবি শস্য হাইব্রিট কাঁচা মরিচসহ কাঁচা ধান তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকার কৃষক।
উপজেলার চরমল্লিকপুর এলাকার কৃষক ইসমাইল হোসেন বলেন, এমন সময় শস্যের শেষ মুহুর্তে এ অঞ্চলের প্রায় ১০ একর জমিতে হাইব্রিড জাতের কাঁচা মরিচ উজানি পানির ঢলে তলিয়ে গেছে। এ ছাড়া তলিয়ে যাচ্ছে অন্তত একশ একর জমির কাঁচা আমন ধান। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে প্রায় প্রতি বছরই ফসলের উঠতি সময়ে উজানি পানির ঢল এসে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি করে। তাই এখানকার গাবতলী এলাকায় একটি স্লুইচ গেইট স্থাপন করলে অসময়ের পানির কবল থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইসমাইল হোসেন, আব্দুল করিম, ইয়াকুব আলীসহ একাধিক কৃষক বলেন, এক শতাংশ জমিতে হাইব্রিড জাতের মরিচ চাষে কৃষকের পাঁচশ টাকার খরচের বিনিময়ে প্রতি শতাংশে এ বছর লাভ আসতো এর পাঁচগুণ করে। তবে, অসময়ের বন্যায় তা ভেস্তে গেলে।
ধানী কৃষক মীর আহম্মদ বলেন, আমনের মাঝামাঝি সময়ে ধানের গোড়া পচাঁসহ নানা রোগে ব্যাধিত ভরপুর ছিল। অতিরিক্ত বিষ প্রয়োগে কিছুটা কমেছে। এর পর মরার ওপর খরার ঘাঁ হিসেবে শুরু হয়েছে অসময়ের বন্যার অত্যাচার। এতে কোনো প্রতিকার মিলছে না, অসহায় হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের কৃষক।
এ ব্যাপারে জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলরুবা ইয়াসমিন বলেন, বিষয়টি আমি আপনার কাছে অবগত হয়েছি। আজকেই অতিরিক্ত কৃষি অফিসার রৌশনকে সরেজমিনে পাঠিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।








