পর্দা উঠতে যাচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১৮তম আসরের। বিশ্বের ৭৪টি দেশের ২২০টি চলচ্চিত্র নিয়ে শুরু হতে যাওয়া এই উৎসব আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে শনিবার (১১ জানুয়ারি)।
উৎসবটি আয়ােজন করবে রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদ। এবারের উৎসবে এশিয়ান ফিল্ম প্রতিযোগিতা বিভাগ, রেট্রোস্পেকটিভ বিভাগ, বাংলাদেশ প্যানারোমা, সিনেমা অফ দ্য ওয়ার্ল্ড, চিল্ড্রেন ফিল্মস্, স্পিরিচুয়াল ফিল্মস, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেনডেন্ট ফিল্ম এবং উইমেন্স ফিল্ম মেকার বিভাগে চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। ৯ দিনব্যাপী এই উৎসবে উপস্থিত থাকবেন দেশি, বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, প্রযোজক ও কলাকুশলীরা।
এবার বাংলাদেশের ৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দেখানো হবে উৎসবে। ‘বাংলাদেশ প্যানারোমা’ বিভাগে নির্বাচিত হওয়া এই ৮টি সিনেমা হল, এন রাশেদ চৌধুরী পরিচালিত মুক্তি প্রতীক্ষিত চন্দ্রাবতী কথা, আশরাফ শিশিরের ‘আমরা একটি সিনেমা বানাবো’, অরুণ চৌধুরীর ‘মায়াবতী’, প্রদীপ ঘোষের ‘শাটল ট্রেন’, ফরিদ আহমেদের ‘টিউনস অব নস্টালজিয়া’, মাসুদ পথিকের ‘মায়া’, প্রসুন রহমানের ‘নিগ্রহকাল’ এবং তানিম রহমান অংশুর ‘ন ডরাই’।
চলচ্চিত্রগুলো কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রদর্শিত হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন উৎসবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব শাহরিয়ার আলম।
মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল জিমেনেজ পরিচালিত ‘উইন্ডো টু দ্য সি’ প্রদর্শনের মধ্যে দিয়ে আসরের প্রদর্শনী শুরু হবে। চলচ্চিত্রটি স্পেন ও গ্রীসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত। এছাড়া এশিয়ান প্রতিযোগিতা বিভাগে জুরি’র দ্বায়িত্ব পালন করবেন মিগুয়েল। উদ্বোধনী দিনে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ‘বাংলাদেশ প্যানারোমা’ বিভাগে দেখানো হবে অরুণ চৌধুরী পরিচালিত ‘মায়াবতী’।
আনন্দবাজার/ডব্লিউ এস







