
তামহা সিকিউরিটিজের মালিক ডুপ্লিকেট সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিনিয়োগকারীদের সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে। এই জালিয়াতির মাধ্যমে তামহার মালিক ডা. হারুন বিনিয়োগকারীদের প্রায় শতকোটি টাকা লুটপাট করেছে। গতকাল বুধবার তামহা সিকিউরিটিজের ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারী ফখরুল ইসলাম এমন অভিযোগ করেছেন। সম্মেলনে লুটপাট অর্থ ফিরে পেতে বাংলাদেশ সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান প্রতি অনুরোধ বিনিয়োগকারী ফখরুল ইসলামের।
ডুপ্লিকেট সফটওয়্যারের মাধ্যমে শেয়ার বিক্রি করেছে জানিয়ে ফখরুল ইসলাম বলেন, বিএসইসির সিকিউরিজটির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে দেয়ার পর আমরা সিডিবিএলে যোগাযোগ করে জানতে পারি আমাদের হিসাবে কোনো শেয়ার নেই। তামহার মালিক ডুপ্লিকেট সফটওয়্যার ব্যবহার করে শত কোটি টাকার সব শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে।
তামহা কর্তৃপক্ষ আমাদের দুই শতাধিক বিনিয়োগকারীর মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করেছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল ইসলাম বলেন, ডুপ্লিকেট সফটওয়্যার ব্যবহার করে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য আমাদের এসএমএস ও মেইলে প্রেরণ করতো। এ কারণে তাদের জালিয়াতি বুঝতে পারিনি। সিকিউরিটিজ হাউজটির মালিকসহ তার দুই বোন প্রায় শতকোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়।
রেগুলেটদের দুর্বল মনিটরিং থাকায় লোপাট হয়েছে জানিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ফখরুল সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করেন, বিনিয়োগকারীদের আবেদন ছাড়া কীভাবে সিডিবিএল মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করলো? তিনি বলেন, বিএসইসি এবং ডিএসইর মনিটরিংয়ের অভাবে আমরা সবকিছু হারিয়ে পথে বসে গেছি। বিএসইসি ও ডিএসই যদি ঠিক মতো মনিটরিং করতো তাহলে এ ধরনের জালিয়াতি হতো না।
তামহা সিকিউরিটিজের মালিক ডা. হারুন বিনিয়োগকারীদের এই অর্থ আত্মসাত করেছেন অভিযোগ করে তিনি বলেন, যতদ্রুত সম্ভব তাকে বিচারের আওতায় এনে আমাদের টাকা ও শেয়ার ফেরতের উদ্যোগ নিতে বিএসইসির চেয়ারম্যানের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
আনন্দবাজার/শহক







