শস্য ভান্ডার হিসাবে পরিচিত জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বেড়েই চলছে চাল, ডাল, তেল,পেঁয়াজ, রসুন,আদাসহ নিত্যপণ্যের দাম। বাজারে সংকট না থাকার পরেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে জিনিসপত্রের দাম।
করোনা ভাইরাস আতঙ্ককে পুঁজি করে হঠাৎ করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফার আশায় এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে ধাপে ধাপে বাড়াতে থাকে জিনিস পত্রের দাম। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে স্বর্ণা, মিনিকেট, রনজিত, জিরাসহ বেশ কিছু চালের দাম কেজি প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা।
এছাড়া চলতি মাসের প্রথম দিকে যে পিঁয়াজের কেজি ছিল ৩২ টাকা দুই সপ্তাহ পর তা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, মসুর ডাল ৭৫ টাকা কেজি থেকে বেড়ে ৯৫ টাকা, রসুনের কেজি ৭০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১২০ টাকা,আদা ১৮০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৬০ টাকা, তেল প্রকার ভেদে ১০-১৫ টাকা ও আলুর দাম কেজি প্রতি ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাইকারি বাজারে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অভিযোগ করে খুচরা বিক্রেতারা বলেন,আড়তে দাম কম থাকলে আমরাও কম দামে বিক্রি করি।
এখনই লাগাম টেনে ধরতে না পারলে মুনাফা খোরদের জাতাকলে পিষ্ঠ হয়ে নি:স্ব হবে সাধারণ মানুষ। অতি প্রয়োজনীয় এই পণ্য গুলির দাম নিয়ন্ত্রণে এখনই পাইকারি ও খুচরা বাজারে মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন বলে মনে করেন ভোক্তারা।
আনন্দবাজার/এফআইবি







